নয়া দিল্লি: শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন পোপ ফ্রান্সিস। ভ্যাটিকান সূত্রে জানানো হয়েছে, সোমবারই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার ইস্টার পালন করেছিলেন তিনি।  দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন ৮৮ বছর বয়সি পোপ। তবে অসুস্থতা সত্ত্বেও রবিবার ইস্টারের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেন্ট পিটার্স স্কোয়্যারে ৩৫ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থীর দিকে হাত নাড়েন। ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার বারান্দা থেকে বলেন, “ভাই এবং বোনেরা, হ্যাপি ইস্টার।”

সূত্রের খবর, সোমবার সকাল ৭:৩৫টায় প্রয়াত হয়েছেন পোপ। কার্ডিনাল কেভিন ফেরেল জানান, ‘বিশপ অফ রোম’ পরমপিতার ধামে ফিরে গেছেন।                                                               

২০১৩ সালে পোপ বেনেডিক্ট ষোড়শের পদত্যাগের পর ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ পদে অভিষিক্ত হন আর্জেন্টিনার (Argentina) জর্জ মারিও বেরগোলিও। যিনি বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত পোপ ফ্রান্সিস নামে। পোপ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল ৭৬ বছর।                                    

পোপ ফ্রান্সিস সম্প্রতি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিনি ৩৮ দিন রোমের জেমেলি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি দ্বিপাক্ষিক নিউমোনিয়া এবং শ্বাসযন্ত্রের জটিল সংক্রমণে ভুগছিলেন। ৬ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে পোপ ফ্রান্সিস হুইলচেয়ারে বসে জনসাধারণের সামনে উপস্থিত হন এবং ভক্তদের অভিবাদন জানান।                                    

পোপের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। 

 

পোপের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

ভ্যাটিকানের তরফে জানানো হয়েছে, নিজের জীবন যীশু এবং চার্চের প্রতি দান করে দিয়েছিলেন পোপ। তাঁর মৃত্যুতে সকলের মনে গভীর শোক। গত কয়েক বছর ধরে একাধিক রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন পোপ ফ্রান্সিস। ২০২৩ সালের পর থেকে অনেকবার হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়েছিল তাঁকে। কিছু মাস আগে শ্বাসকষ্ট এবং ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন তিনি।  অল্প বয়সে ফুসফুসের একটি অংশ চিকিৎসার কারণেই বাদ দিতে হয়েছিল তাঁর। ফলে ডবল নিউমোনিয়ার কারণে পোপের স্বাস্থ্যের আরও অবনতি হচ্ছিল। সোমবার সকালে প্রয়াত হলেন তিনি।