নয়া দিল্লি: প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটকরা হৃষিকেশে যান প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে। পাশাপাশি নানারকম অ্যাডভেঞ্চারও করে থাকেন তাঁরা। বাঞ্জি জাম্পিং থেকে প্যারাগ্লাইডিং, রিভার র্যাফটিং থেকে রোপওয়ে নানা রকমের অ্যাডভেঞ্চারে মজেন পর্যটকরা। এঁদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যাই বেশি। সেই অ্যাডভেঞ্চারই যে শেষ যাত্রা হবে কল্পনাও করতে পারেনি কেউ। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না তরুণের।
জানা গিয়েছে, হৃষিকেশে রিভার র্যাফটিং করতে গিয়েছিলেন এক দল বন্ধু। কিন্তু র্যাফটিং করার সময়ই টালমাটাল নদীর স্রোতের মাঝে পড়ে মাঝ নদীতে আচমকাই নৌকা থেকে পড়ে গেলেন ওই যুবক। কিছুক্ষন জলে ভেসে থাকার পর জলের তলায় তলিয়ে যেতে দেখা গেল তাঁকে। গোটা ঘটনাটি রেকর্ড করে পোস্ট করেন এক ব্যক্তি। ঘটনটি দেরাদুনের মুনিকিরেতির বলেই খবর।
জানা গিয়েছে,বছর ২৪ এর সাগর নেগী নামের ওই যুবক বন্ধুদের সঙ্গে হৃষিকেশে ভ্রমণে গিয়েছিলেন। ভিডিওতে দেখা যায় সাগর প্যাডেল করে নৌকায় ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। নৌকায় থাকা বাকি বন্ধুরাও খুব চেষ্টা করে চলেন বন্ধুকে বাঁচিয়ে আনার। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ।
এরপর সেখানে উদ্ধারকারী দল পৌঁছলে সাগরের দেহ গঙ্গা থেকে তুলে আনে। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং পরবর্তী ব্যবস্থা করে। তপোবন ফাঁড়ির ইনচার্জ প্রদীপ রাওয়াত বলেন, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটকদের কাছে র্যাফটিং করার সময় সমস্ত সুরক্ষা নির্দেশাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য আবেদন জানিয়েছে।
এদিকে, গত সপ্তাহেই আবহাওয়া খারাপ থাকায় প্রবল হাওয়ায় ডাল লেকে উল্টে গেল একটি শিকারা। মাঝি সহ চার জন পর্যটক লেকের জলে পড়ে যান। সেই ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়।
সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস-কে শিকারার মালিক মহম্মদ আসলাম জানান যে নৌকায় রাজস্থান থেকে আসা একদম পর্যটক ছিলেন। হঠাৎ হাওয়ার বেগ প্রবল হওয়ায় শিকারা উল্টে যাত্রীরা লেকের জলে পড়ে যায়। তবে সকলকে উদ্ধার করা গিয়েছে। কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।