নয়া দিল্লি: রাশিয়া অভিযোগ করেছিল যে ইউক্রেন নভগোরোদ অঞ্চলে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি বিধ্বস্ত ড্রোনের ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিও প্রকাশ করে মস্কো দাবি করল, ৬ কেজি বিস্ফোরক বোঝাই একের পর এক ড্রোন দিয়ে পুতিনের বাসভবনে হামলা চালানো হয়েছিল গত ২৮ ডিসেম্বর রাতে। 

Continues below advertisement

রাতে তোলা ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে, বনাঞ্চলে তুষারে ঢাকা একটি ক্ষতিগ্রস্ত ড্রোন পড়ে আছে। ড্রোনটি দেখানো ভিডিওতে উল্লেখ করা হয়েছে, "এই উচ্চ-বিস্ফোরক অংশটি প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক দিয়ে ভরা ছিল। বেসামরিক বস্তু ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।" 

মঙ্গলবার রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এক বিবৃতিতে দাবি করেছিলেন, মস্কোর পশ্চিমে নভগরদ এলাকায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাড়ি নিশানা করে অন্তত ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন ছুড়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। যার সব ক’টিকেই গুলি করে নামানো হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন লাভরভ।                                                   

Continues below advertisement

এই ঘটনার পর থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তিচুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার কথা শুনে ক্ষুব্ধ আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রাশিয়া এই ঘটনাকে "সন্ত্রাসী আক্রমণ" এবং পুতিনের বিরুদ্ধে "ব্যক্তিগত আক্রমণ" হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ আলোচনায় তাদের অবস্থান আরও কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭:০০ টার দিকে এই আক্রমণ শুরু হয়েছিল এবং এটি পুতিনের বাসভবনে একটি "গণ" ড্রোন উৎক্ষেপণ ছিল তবে বলেছে যে রাশিয়ান নেতার বাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি।

যদিও কিভ রাশিয়ার এই অভিযোগ আগেই অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা ভেস্তে দিতেই এই অভিযোগ তুলছে। পাশাপাশি রাশিয়ার কাছে প্রমাণও চেয়েছিল তারা। ঘটনাচক্রে, তার পরেই এই ভিডিও প্রকাশ করল মস্কো।