নয়া দিল্লি: দিল্লি বিস্ফোরণের পরের দিনই মঙ্গলবার সন্দেহভাজন আইএস জঙ্গির জামিনের মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কড়া অবস্থান নিল দেশের শীর্ষ আদালত। জঙ্গি কার্যকলাপে অভিযুক্তদের সহজে জামিন দেওয়া চলবে না। মঙ্গলবার এমনই বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। বার্তার সেরা দিন, সন্দেহভাজন জঙ্গির জামিন খারিজ করে এমনই নির্দেশ। 

Continues below advertisement

একদিন আগেই রাজধানীর সুনহেরি মসজিদের কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল দিল্লি। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৩। যদিও ঘটনাকে এখনই জঙ্গি হামলা বলে ঘোষণা করা হয়নি, কিন্তু তদন্তের গতিপথ স্পষ্টভাবে সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে।বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ জানায়, “জঙ্গি কার্যকলাপে অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম প্রমাণ থাকলেই জামিন নয়, জেলে পচতে হবে।” 

শুনানির শুরুতে অভিযুক্তের আইনজীবী বলেন, “আজকের সকালটা বোধহয় এই মামলার জন্য ঠিক নয়। বিশেষ করে গতকাল দিল্লিতে যা ঘটেছে।” এর জবাবে বেঞ্চ স্পষ্ট মন্তব্য করে, “ঠিক এই সময়টাই সঠিক—একটা কড়া বার্তা দেওয়ার এটাই সুযোগ।”

Continues below advertisement

আদালত জানিয়েছে, আবেদনকারীর কাছ থেকে কিছু নিষিদ্ধ জিনিস উদ্ধার হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেলের কাছ থেকে ইসলাম সংক্রান্ত কিছু বই পাওয়া গিয়েছিল মাত্র। যদিও সেই তত্ত্ব মানতে নারাজ আদালত।

সওয়াল-জবাব শেষে আদালত জানায়, এই মুহূর্তে মামলাকারীর জামিন মঞ্জুর করা সম্ভব নয়। তবে আদালত এ-ও জানিয়েছে, দুই বছরের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। যদি তা না-হয়, তবে অভিযুক্ত জামিনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ জানায়, “জঙ্গি কার্যকলাপে অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম প্রমাণ থাকলেই জামিন নয়, জেলে পচতে হবে।” শুনানির শুরুতে অভিযুক্তের আইনজীবী বলেন, “আজকের সকালটা বোধহয় এই মামলার জন্য ঠিক নয়। বিশেষ করে গতকাল দিল্লিতে যা ঘটেছে।” এর জবাবে বেঞ্চ স্পষ্ট মন্তব্য করে, “ঠিক এই সময়টাই সঠিক—একটা কড়া বার্তা দেওয়ার এটাই সুযোগ।”

সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, “যা যা ওর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে, তাতে ওর আরও অনেকদিন জেলে থাকা উচিত।” এই মন্তব্যে স্পষ্ট, দিল্লি বিস্ফোরণের পর জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আদালত চাইছে কঠোর দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে।

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অভিযুক্তের কাছে বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছে, এবং সে এমন একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য, যার ডিসপ্লে পিকচার ইসলামিক স্টেটের পতাকার মতো। আইনজীবীর দাবি ছিল, সেটি আসলে ইসলামিক সাহিত্য সম্পর্কিত গ্রুপ, কিন্তু আদালত সেই যুক্তি খারিজ করে দেয়।