শ্রীনগর:  শুক্রবার শ্রীনগরের হায়দারপোরা এলাকার মাদ্রাসা ও সংলগ্ন প্রার্থনাগৃহে দাউ দাউ আগুন। শুক্রবার জামিয়া আরাবিয়া আশরাফ উল উলুম মাদ্রাসায় হঠাৎ আগুন লেগে যায়।  কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। লেলিহান শিখা আকাশ ছোঁয়। স্থানীয় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে  দমকলে খবর দেন।    দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন দমকলকর্মীরা। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আতঙ্ক ছিল চরমে। 

Continues below advertisement

 আগুন যাতে আশপাশে ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রেখে কাজ করতে হয় দমকলকর্মীরা । গভীর রাত অবধি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চালাতে হয় দমকলকর্মীদের।  এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। "অভিযান চলছে। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে" জানিয়েছেন এক দমকল আধিকারিক।   আগুন লাগার কারণ পরিষ্কার নয়। তবে  কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 রামবানে ভূমিধস, বন্ধ জাতীয় সড়ক

Continues below advertisement

অন্যদিকে, গত রবিবার রাতেই জম্মু কাশ্মীরের জাতীয় সড়কে ( Jammu-Srinagar National Highway)বড়সড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। করোল ব্রিজ ও চন্দরকোটের মধ্যে পাহাড় থেকে পাথর ও কাদামাটি ধসে পড়ে, যার ফলে সড়কের দুই রাস্তাই সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।  এর ফলে দুই দিক থেকেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রশাসন ওই অংশে যান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

 পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় রাস্তা থেকে পাথর সরানো ও  মেরামতির কাজ চলছে। তবে কবে নাগাদ রাস্তা আবার খুলে দেওয়া যাবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

  সানাসারে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড

এরই মধ্যে গত মাসে সানাসারে ( Sanasar ) এলাকায় একটি  কুঁড়েঘরে আগুন লাগার ঘটনাও সামনে এসেছে। স্থানীয়ভাবে ‘ধোয়াক’ নামে পরিচিত এই ঘরগুলি যাযাবর পরিবারগুলি গ্রীষ্মকালে ব্যবহার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কাসিম নামে এক ব্যক্তি থাকতেন সেখানে। অভিযোগ, তাঁর ঘরটি কেউ বা কারা পুড়িয়ে দিয়েছে।  রামবানের পুলিশ আধিকারিক, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ফরেনসিক টিম মোতায়েন করেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিজিটাল ও ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহ শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, সানাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় এলাকায় পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং দিন-রাত টহল চালানো হচ্ছে।