চেন্নাই:বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়েছিল TVK. মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথও নিয়েছেন ‘থালাপতি’ বিজয়। তবে আসনে টিকে থাকা নিয়ে যে দোলাচল তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেল। তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থাভোটে জয়ী হল তাঁর সরকার। তাঁর সরকারের পক্ষে ভোট দিলেন ১১৪ জন বিধায়ক। বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন ২২ জন। এদিনের আস্থাভোট থেকে ৫৯ জন বিধায়ক নিয়ে বেরিয়ে যায় DMK. AIADMK-র ৪৭ জন বিধায়ক ভোটাভুটিতে অংশ নেননি। (Thalapathy Vijay Trust Vote)
আস্থাভোটের ফলাফল সামনে আসতে বিজয় বলেন, “হুইসলের জয় হয়েছে। আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু সরকার বলব—এমন সরকার, যারা সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষঙা করে।” হুইসল তাঁর দল TVK-র প্রতীকচিহ্ন। আস্থাভোটের এই ফলাফল আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে AIADMK-র অন্দরে ফাটলের কারণে। দলের আপত্তি সত্ত্বেও AIADMK-র ২৫ জন বিধায়ক বিজয় এবং TVK-র সপক্ষে ভোট দেন। (Tamil Nadu Trust Vote)
আরও পড়ুন: এবার নিজের কনভয়ে কাটছাঁট মোদির, গাড়ির সংখ্যা কমাতে বললেন, জ্বালানি সঙ্কট কতটা গুরুতর?
ই পালানিস্বামীর নির্দেশ অগ্রাহ্য করে সম্প্রতি AIADMK-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন সন্মুগম এবং এসপি বেলুমণি। আগে থেকে ১২০ জনের সমর্থন ছিল বিজয়ের কাছে। যে বিধায়ক একটি ভয়োটে জয়ী হন, তাঁক ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। ফলে তিনি ভোট দিতে পারেননি। ভোটাভুটিতে নিরপেক্ষ অবস্থানে ছিলেন মোট পাঁচ জন বিধায়ক।
আরও পড়ুন: সকাল সকাল দুঃসংবাদ, প্রয়াত অখিলেশ যাদবের ভাই, নিথর দেহ পৌঁছয় হাসপাতালে, ঠিক কী ঘটেছে?
তবে এই মুহূর্তে AIADMK-র বিভাজন ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিদ্রোহীরা অভিভাবক দলেই থাকবেন, না কি রাস্তা আলাদা হবে, তা নিয়ে কাটাছেঁড়া অব্যাহত। বিদ্রোহী বিধায়কদের হারালে AIADMK-র কাছে মাত্র ২২ জন বিধায়ক থাকবে।
এবারের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল ১০৫টি আসনে জয়ী হয়। কংগ্রেস জয়ী হয় ৫টি আসনে। CPI ২টি, CPM ২টি, IUML ২টি, VCK ২টি, AMMK ১টি আসনে জঈ হয়। তারা সকলেই TVK-র সমর্থনে ভোট দিয়েছে। সেই সঙ্গে AIADMK-র ২৫ জন বিধায়ক।
এদিন আস্থাভোট বয়কট করে DMK. উদয়নিধি স্ট্যালিন বলেন, "যাঁরা আপনাদের ভোট দিয়েছেন, এখন তাঁরা ভুলের জন্য আক্ষেপ করছেন। আমরা ওয়াকআউট করছি। এই ভোটে অংশ নেব না। ধর্মনিরপেক্ষ সরকারই কাম্য। ৬৫ শতাংশ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়কে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ ওঁকে ভোটও দেনি। এই সরকার কতদিন টিকবে, সেকথাই মুখে মুখে ফিরছে এখন।"
