ওয়াশিংটন: আর পুরনো ভুল করবেন না ! এ যুদ্ধ বেআইনি। এবার আমেরিকার ইরান-হানাকে সরাসরি আইনবিরুদ্ধ বলে কঠোর সমালোচনা করলেন মার্কিন সেনেটর টিম কেইন (Tim Kaine )। তিনি বলেন, ইরানের উপর আমেরিকা ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পুরনো ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে। কেইন সতর্ক করে দেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে বড় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে তাহলে আবার দীর্ঘ লম্বা যুদ্ধ শুরু হতে পারে।  ইরানকে ঘিরে যে নতুন সংঘাত শুরু হয়েছে, তা যদি বাড়তে থাকে তাহলে আমেরিকা আবার আগের মতো মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ ও ব্যর্থ যুদ্ধের ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি করতে পারে। কেইন এই সামরিক পদক্ষেপকে “অবৈধ এবং অত্যন্ত অবিবেচক” বলেছেন এবং পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন।  রবিবার CBS News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভার্জিনিয়ার এই ডেমোক্র্যাট সেনেটর জানান, ফের যুদ্ধে নিহত আমেরিকারন সৈন্যদের মরদেহ দেশে ফেরা শুরু হয়েছে। তার মধ্যে একজন ভার্জিনিয়ার বাসিন্দাও আছেন। এই সংখ্যাটাই ক্রমে বাড়তে পারে। যুদ্ধের ক্ষত  আরও দগদগে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ''আমরা কি সত্যিই এই পরিস্থিতি থেকে কোনো শিক্ষা নিয়েছি?                    

Continues below advertisement

কেইন আরও বলেন, “গত ২৫ বছরের মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে আমরা কি কিছুই শিখিনি? মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় দূতাবাস ও কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ হচ্ছে, তা সেখানে কর্মরত আমেরিকান কূটনীতিকদের জন্যও যথেষ্ট আতঙ্কের। ” কেইনের উদ্বেগ, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার মার্কিন নাগরিক আটকে পড়েছেন। সেই সংখ্যাটা  হাজার হাজার । কেইন জানান, তার অফিস ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে চাওয়া নাগরিকদের সহায়তা করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ভার্জিনিয়ার রিচমন্ড এলাকার এক বাসিন্দাকে দুবাই ( Dubai ) থেকে উড়ানে দেশে ফিরতে সহায়তা করা হয়েছে।  কিন্তু অনেক দূতাবাস ও কনস্যুলেটের  কর্মীরা এখনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে তাদের কী হবে ! 

কেইন স্পষ্ট করে দেন, এই সময়  তাঁর প্রধান লক্ষ্য দুটি। প্রথমত, যুদ্ধ বন্ধ করা এবং দ্বিতীয়ত মার্কিন সেনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।  “এই যুদ্ধ বন্ধ করা দরকার। আমি এটিকে আইনবিরোধী এবং অত্যন্ত অবিবেচক সিদ্ধান্ত মনে করি”।                         

Continues below advertisement