ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি এবার স্পেনকে ! তাদের সঙ্গে সব রকম ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করে দেবে আমেরিকা। হুমকি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। কারণ? ট্রাম্পের হ্যাঁ-তে হ্যাঁ না বলা ! ইরানে হামলার উদ্দেশ্যে আমেরিকাকে তাদের মাটিতে  ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি স্পেন । তাতেই রেগে অগ্নিশর্মা ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু স্পেন নয় ব্রিটেনের উপরও চটেছেন ট্রাম্প ! কারণ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যেই তাঁদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারে আমেরিকা। তাই ব্রিটেনের উপরও চটেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।  

Continues below advertisement

ট্রাম্পের দাবি, স্পেনের  প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ তাদের মাটিতে ঘাঁটিগুলি ব্যবহার করে ইরান আক্রমণের অনুমতি দেয়নি। তাই স্পেনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁদের এই প্রবণতাকে বিপজ্জনক বলেছেন ট্রাম্প।  তিনি স্পষ্ট বলে দেন,  অর্থমন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন স্পেনের সঙ্গে সমস্ত রকম লেনদেন বন্ধ করা হয় । তিনি বলেন, স্পেনে কিছু দুর্দান্ত মানুষ আছে, কিন্তু ভাল নেতৃত্ব নেই। 

এর আগে স্পেন সরকার সাফ জানিয়ে দেয় যে, ইরানে হামলায় তারা তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না। এর জেরে স্পেনের রোটা ও মোরন সামরিক ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ১৫টি উড়োজাহাজ ও রিফুয়েলিং ট্যাংকার সরিয়ে নেয়। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ রবিবার ইরানের উপর ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ আক্রমণকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে নিন্দা করেন।   পেদ্রো বলেন,এই আক্রমণ ‘বিপজ্জনক সামরিক হস্তক্ষেপ’ !  

Continues below advertisement

নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে একের পর এক পরমাণু অস্ত্র বানিয়ে চলেছে ইরান, ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম তৈরির কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছে তারা - এমন গুরুতর অভিযোগ তুলে ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। শনিবার থেকে শুরু হওয়া যৌথ বাহিনীর হামলায় তছনছ হয়ে গেছে ইরানের বিস্তীর্ণ এলাকা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট দাবি করছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ না করলে, পারমাণবিক যুদ্ধ বেধে যেত এবং ইরান অনেক দেশকে ধ্বংস করে দিত।  তাই এই হামলা। এই যুদ্ধ আরও অনেক দিন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেছে রাশিয়া ও চিনও। মস্কোর তরফে বলা হয়েছে, তেহরান যে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছিল, এমন কোনও প্রমাণ নেই। যৌথ বাহিনীর অভিযান অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত বলে দাবি করেছে বেজিং।