নয়াদিল্লির উদ্দেশে ওড়ার জন্য তৈরি ছিল বিমানটি। কিন্তু আর আকাশে ওড়া হল না ইরানের বিমানটি। মাশহাদ বিমানবন্দরেই মার্কিন হামলায় ( Iran America War )কার্যত তছনছ হয়ে গেল সেটি। ইরারন সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি সংস্থার ওই যাত্রীবাহী বিমানটির ভারতে আসার কথা ছিল সাহায্য সামগ্রী সংগ্রহের জন্য। কিন্তু তার আগেই মাহান এয়ার-এর বিমানটিকে টার্গেট করল আমেরিকা। ইরান সরকারের (Iran War) তরফে জানানো হয়েছে, বিমানটি নয়াদিল্লি আসছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতিতে ত্রাণ সংগ্রহ করতে। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র এবং চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে তেহরানে ফেরার কথা ছিল সেটির। কিন্তু তা আর হল না।
ইরানের সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি, বিমানটি আগামী ১ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা ছিল। এর আগে, গত ১৮ মার্চ ভারত থেকে ইরানে প্রথম দফার চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানো হয় ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-এর মাধ্যমে। এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের পাশাপাশি সাধারণ ভারতীয় নাগরিকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিল ইরান। নয়াদিল্লির ইরানের দূতাবাসের তরফে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
ইরান দাবি করছে ঠিকই, তবে এই দাবির বিষয়ে আমেরিকা কিছু নিশ্চিত করেনি। ফলে এই হামলার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। মাহান এয়ার একটি বেসরকারি ইরানি বিমান সংস্থা। এই বিমান সংস্থা সাধারণত পশ্চিম এশিয়া, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পরিষেবা দিয়ে থাকে। এই সংস্থার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে।
এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবিক সহায়তার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এ ধরনের হামলার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং তা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে।
