কনৌজ : প্রসাদ খেয়ে অসুস্থ ৬২ জন ! গৃহস্থের বাড়িতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রসাদ খেয়েছিলেন তাঁরা। তারপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। শনিবার এমনই জানিয়েছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। 'পঞ্চমৃত' ও 'পঞ্জিরী' দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল প্রসাদ। 'সত্যনারায়ণ কথা' উপলক্ষে সেই প্রসাদ শুক্রবার রাতে বিলি করা হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের কনৌজের সিমুয়াপুর গ্রামে মুন্না লাল কাশ্যপের বাড়িতে ঘটে ঘটনাটি। প্রসাদ খাওয়ার পরপরই সেই রাতেই একে একে অনেকে অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে তাঁদের প্রাইভেট প্র্যাক্টিশনারদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে একে একে সকলকে জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

Continues below advertisement

জেলা হাসপাতালের এক চিকিৎসক আকাঙ্খা বলেন,  রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ এখানে পৌঁছান ৬২ জন রোগী। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন রোগীর অবস্থা গুরুতর ছিল। তাঁদের তিরওয়ায় মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। বাকি রোগীদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। 

অধিকাংশ রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। এমনই জানিয়েছেন আধিকারিকরা। খবর পেয়েই জেলা হাসপাতালে পৌঁছে যান জেলাশাসক আশুতোষ মোহন অগ্নিহোত্রী, চিফ মেডিক্যাল অফিসার স্বদেশ গুপ্ত এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অজয় কুমার। তাঁরা রোগীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং তাঁদের চিকিৎসায় যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দেন।

Continues below advertisement

এ রাজ্যে ২০২২ সালে এরকম এক ঘটনা ঘটেছিল। পুজোর প্রসাদ খেয়েছিলেন সকলেই। তার পর থেকেই রায়গঞ্জে বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। বেশ কয়েক জনকে ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থেকে সকলেই সঙ্কটমুক্ত হন। কালীপুজোর প্রসাদ খাওয়ার পরই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন সকলে! উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের কাশিবাটি এলাকার ঘটনা ছিল। পুজোর প্রসাদ খেয়ে সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন মহিলা-শিশু মিলিয়ে প্রায় ২৫ জন। তাঁরা সকলেই গ্রামের এক বাসিন্দার বাড়িতে কালীপুজোর প্রসাদ খেয়েছিলেন বলে জানা যায়। তার পর থেকেই একে একে সকলে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষমেশ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় বলে জানা যায়। স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ সকলের মধ্যে পেট ব্যথা, বমির মতো নানা উপসর্গ দেখা যায়। শিশু থেকে বড়, সকলের মধ্যে দেখা যায় এমন উপসর্গ। এর পর একে একে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হতে শুরু করেন সকলে। সব মিলিয়ে মহিলা এবং শিশু মিলিয়ে ২৫ জনকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।