দেহরাদুন : NEET আন্দোলনের ফুটছে দেশ। প্রতিবাদের ঢেউ ছড়াচ্ছে রাজ্য থেকে রাজ্যে। এরই মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে বিক্ষোভ ছড়াল। উত্তরাখণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁসে অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে নামল কংগ্রেস। শুরু হল  বিক্ষোভ। উত্তরাখণ্ড রাজ্যে টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠল এবার। প্রতিবাদে দেরাদুনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সামনে শুরু হল কংগ্রেসের  বিক্ষোভ ।  

Continues below advertisement

নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের মধ্যেই , সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডে আরও একটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সামনে আসে। এই অভিযোগে বীর মাধো সিং ভান্ডারি উত্তরাখণ্ড টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি (ইউটিইউ) বি.টেক তৃতীয় বর্ষের দুটি সেমিস্টার পরীক্ষা বাতিল করে।  অভিযোগ, বিশ্ববিদ্য়ালয়ের একজন সহকারী অধ্যাপক পরীক্ষার আগেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শিক্ষার্থীদের  প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেয়।  অভিযুক্ত অধ্যাপক আশিস কুমার গুপ্তকে সাত বছরের জন্য সমস্ত পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ওই দুটি বিষয়ে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে।  মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।  বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বি.টেক তৃতীয় বর্ষের দুটি সেমিস্টার পরীক্ষা, মেশিন লার্নিং ফর ইন্টারনেট অফ থিংস এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড থিওরি গত ৭ই জুলাই  নেওয়া হয়েছিল।  অভিযোগ, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শিবালিক কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এক শিক্ষক পরীক্ষার আগেই একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মেশিন একটি বিষয়ের প্রশ্ন শেয়ার করেছিলেন। সেই ঘটনা নিয়েই শনিবার সরব হয় কংগ্রেস। 

অন্যদিকে, NEET-এর প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ও ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে লাগাতার আন্দোলন। পুলিশ সূত্রে দাবি, সারা দেশ থেকে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ এসে জড়ো হয়েছেন রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে প্রায় ৩ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে দিল্লি পুলিশ সূত্রে দাবি, এখনও পর্যন্ত CJP-র আন্দোলনে আহত হয়েছেন অন্তত ১৩০ জন পুলিশকর্মী। অন্তত ৬৫ জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলে দাবি পুলিশের। বিক্ষোভের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৫টি FIR দায়ের করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ সূত্রের আরও দাবি, ইতিমধ্যেই যন্তর মন্তরে আসা সমাজবিরোধী ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। ফেসিয়াল রেকগনিশন সিস্টেম বা FRS ক্যামেরার মাধ্যমে চলছে চিহ্ণিতকরণের কাজ। ইতিমধ্যেই যন্তর মন্তরে আসা কমপক্ষে ২ হাজারেরও বেশি এমন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।           

Continues below advertisement

আরও পড়ুন : কেন আন্দোলন এতটা বেড়ে যাওয়ার পর পদত্যাগ? সোশ্যাল মিডিয়ায় যা জানালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান