নয়াদিল্লি: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, চরম বিপদে পাশে দাঁড়াল ভারত।  ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ভয়াবহ এমন এক পরিস্থিতিতেই ‘অপারেশন আমিস্তাদ’ নিয়ে পাশে দাঁড়াল ভারত। যার অর্থ বন্ধুত্ব। 'আমিস্তাদ' কথাটি মূলত একটি স্প্যানিশ শব্দ। 

Continues below advertisement

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, তারাতলায় বিপর্যয়ের পর কড়া রাজ্য, কলকাতা ও বিভিন্ন পুরসভায় ৩১ জুলাই পর্যন্ত বেসরকারি বাণিজ্যিক নির্মাণ বন্ধ

মৃতের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে ?

আলজাজিরার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রাথমিক অনুমান, ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজারের উপরে পৌঁছতে পারে। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা USGS এর দাবি মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ অবধি পৌঁছতে পারে। এহেন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পাশে ভেনেজুয়েলার দাঁড়াল ভারত। বায়ু সেনার মাধ্যমে, ত্রাণ ও চিকিৎসায় সহায়তা করতে মেডিক্যাল টিম পাঠিয়ে, ‘অপারেশন আমিস্তাদ’ চালু করল ভারত।

ভেনেজুয়েলার দাঁড়াল ভারত, শুরু ‘অপারেশন আমিস্তাদ’  

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী,  এয়ারফোর্স স্টেশন থেকে ৬০ প্যারাফিল্ড হাসপাতালের একটি মেডিক্যাল টিম ইতিমধ্যেই  ভেনেজুয়েলায় রওনা দিয়েছে। এই টিমে মেডিক্যাল অফিসার সহ- ভারতীয় সেনার ৪১ জন সদস্য উপস্থিত রয়েছেন। বিপদকালীন মেডিক্যাল সাপোর্ট, ট্রমা ম্যানেজমেন্ট-সহ বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়াতে যা যা লাগে, সেই সব কিছুই পাঠিয়েছে ভারত। যার সবকিছু মিলিয়ে ওজন প্রায় ৩৫ টন। 

জরুরি সামগ্রি নিয়ে ভারতীয় বায়ু সেনার দুটি বিমান রওনা দিয়েছে ভেনেজুয়েলায়

 এস জয়শঙ্কর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন, ‘অপারেশন আমিস্তাদ’  ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ভূমিকম্প বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার উদ্দেশ্যে জরুরি সামগ্রি নিয়ে বায়ু সেনার দুটি বিমান রওনা দিয়েছে। ভেনেজুয়েলার এই কঠিন সময়ে, সেখানকার মানুষদের পাশে আছে ভারত। 

ঠিক কী হয়েছিল ? এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল কোথায় ছিল ? 

বুধবার স্থানীয় সময়, পরপর দুইবার শক্তিশালী ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয় ভেনেজুয়েলা। রিখটার স্কেলে ওই দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে,  ৭.২ এবং ৭.৫। রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম ক্যারিবীয় উপকূলের কাছে ছিল এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল। ভূমিকম্পের পরেই হাজার হাজার মানুষ বাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। ইতিমধ্য়েই বহুতল ভবনগুলি ধসে গিয়েছে। রাস্তা ভেঙে গিয়েছে, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞের মতে পরবর্তী কয়েকদিন আফশকের আশঙ্কাও রয়েছে। এমত অবস্থায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন ভেনেজুয়েলা প্রশাসন।