কলকাতা: গতকাল আটক হওয়ার পর আজ ছাড়া পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির ৩ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। আর ককরোচ জনতা পার্টির এই নেতাদের নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, যে পরিষ্কার চক্রান্ত, বোঝাই যাচ্ছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: ডিগ্রি ছাড়াই Google DeepMind-এ চাকরির সুযোগ, বেতন-সহ প্যাকেজ প্রায় ১১ কোটি টাকা!

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ বলেন, "এসব চলতেই থাকে। প্রতিবাদ হোক না। অনেকে এক এক মাস ধরে অবস্থান করেছে। ভারতবর্ষে কিছু লোকের ফ্যাশন আছে আন্দোলন করার। কাজ না থাকলে চলো আন্দোলন করি। বিদেশি ফান্ডিং, এদিক - ওদিক, রাষ্ট্র বিরোধী শক্তির খেলনা হয়ে এরা এই সব করতেই থাকে। কিছু দিন চলবে।"

Continues below advertisement

তারপর রাজ্যের মন্ত্রী আরও কটাক্ষ করেন ককরোচ জনতা পার্টিকে। তিনি বলেন, "হঠাৎ একটা পার্টি তৈরি হল। যার একটা কাউন্সিলর নেই, পঞ্চায়েতে প্রতিনিধি নেই, বিধায়ক নেই, সাংসদ নেই; সেই পার্টি নেতৃত্ব করছে। তাদের নেতৃত্বেই দেশের বড় বড় নেতারা, বড় বড় পার্টির মুখিয়ারা আন্দোলন করছেন। এটা যে পরিষ্কার চক্রান্ত, বোঝাই যাচ্ছে। তো সেই জন্য এই ধরনের লোকজন; যাদের কোনও বিশ্বাস যোগ্যতা নেই, পরিচিতি নেই তাঁদের সরকারও ভরসা করতে পারে না। মানুষও বিশ্বাস করতে পারে না। সেই জন্য কড়া ব্যবস্থাই হবে।"

উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টির ৩ নেতা; অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আজ নিয়ে আসা হয় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায়। আর তারপর তাঁদের হাজির করা হয় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। আজ সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের SEM আদালতে পেশ করা হয়। "শর্তাধীনে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে তাঁদের। এক বছর ভাল আচরণ ও শান্তি বজায় রাখার শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে", এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে জানাল দিল্লি পুলিশ।

আরও পড়ুন: ডিগ্রি ছাড়াই Google DeepMind-এ চাকরির সুযোগ, বেতন-সহ প্যাকেজ প্রায় ১১ কোটি টাকা!

অন্যদিকে, আজ ফের পথে ককরোচ জনতা পার্টি। 'যন্তর মন্তর চলো' -র ডাক দিয়েছে তারা। আন্দোলনকারীদের রুখতে সকাল থেকেই দিল্লির যন্তর মন্তরে কড়া নিরাপত্তা। যন্তর মন্তরমুখী রাস্তায় ব্যারিকেড দিল্লি পুলিশের। ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। চলছে নজরদারিও।