হাপুর (উত্তরপ্রদেশ) : ভয়ঙ্কর ঘটনা। মায়ের সঙ্গে বাড়ির কাছে একটি গয়নার দোকানে গয়না কিনতে গিয়েছিলেন এক মহিলা। সেখানে যাওয়ার পর জল তৃষ্ণা পাওয়ায়, জল চান তিনি। এরপরই ঘটে হাড়হিম করা সেই ঘটনা।

Continues below advertisement

গয়না বিক্রেতা কাছের একটি দোকান থেকে ঠান্ডা, সিল করা জলের বোতল অর্ডার করেন। কিন্তু অভিযোগ, রিয়া নামের ওই মহিলা বোতল থেকে সেই জল পান করতেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। তিনি বমি করতে শুরু করেন। উত্তরপ্রদেশের হাপুরের ঘটনা।  অর্জুন নগরের বাসিন্দা ওই মহিলা । জল পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে মেরঠের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । সেখানে তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে ওঠে। 

ওই ঘটনার সি সি টিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ওই মহিলা তাঁর মায়ের সঙ্গে দোকানে বসে আছেন। তাঁদের সামনে বসে আছেন গয়না বিক্রেতা। ভিডিও ক্লিপে আরও ধরা পড়েছে, কাউন্টার থেকে বোতল নিয়ে রিয়ার উদ্দেশে তা বাড়িয়ে দিচ্ছেন তাঁর মা। জলে চুমুক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কষ্ট ধরা পড়ে ভিডিও ফুটেজে। রিয়া ওরকম করতে থাকায় তাঁকে দেখে অবাক হয়ে যান মা এবং গয়না বিক্রেতা। প্রাথমিক তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে কীভাবে বোতলে অ্যাসিড এল এবং এতে কার গাফিলতি ছিল। তদন্তকারীরা সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। 

Continues below advertisement

ওই মহিলা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়ে গেছে।

এর আগে ২০১৯ সালেও এ ধরনের ভয়ঙ্কর এক ঘটনা ঘটেছিল। সহপাঠিনীর জলের বোতল থেকে পানীয় খেয়ে মারা যায় বেসরকারি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী। পুলিশের প্রাথমিকভাবে অনুমান করেছিল, ওই বোতলে ‘অ্যাসিড-জাতীয়’ পদার্থ ছিল। ঘটনাটি ঘটে উত্তর-পূর্ব দিল্লির হর্ষ বিহার অঞ্চলে। জানা যায়, স্কুলে সহপাঠিনীর জলের বোতল থেকে জল খায় ওই বালিকা। কিছুক্ষণ পর, ক্লাসরুমের মধ্যেই বমি করতে শুরু করে ১১ বছরের মেয়েটি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সে মারা যায়। পুলিশের দাবি ছিল, যে জায়গায় মেয়েটি বমি করেছিল, সেখানে মেঝের রং নষ্ট হয়ে যায়। যা থেকে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ছিল, মেয়েটি ‘অ্যাসিড-জাতীয়’ কিছু খেয়ে ফেলেছিল।