২০২৬ শুরু হতে না হতেই সারা বিশ্ব জুড়ে যেন বেজে উঠেছে যুদ্ধের দামামা। পশ্চিম এশিয়া, আমেরিকা, রাশিয়া, সব দেশই ছাড়ছে রণহুঙ্কার। অনেক জ্যোতিষীই বলছেন, ২০২৬ সাল শুরু হয়েছে ধ্বংসের ভবিষ্যদ্বাণী দিয়ে। সেই নিয়ে চর্চাও চলছে বিস্তর। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, পডকাস্ট থেকে মিম, সব জায়গায় চলছে "দুনিয়া শেষ" নিয়ে আলোচনা। এই মুহূর্তে অনেকেই আলোচনা করছেন ভবিষ্যৎদ্রষ্টী বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে।
কেউ কেউ বলছেন, ২০২৬ সালে পৃথিবী ধ্বংস হতে চলেছে। কেউ কেউ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। বাবা ভাঙ্গা আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ভিনগ্রহীদের আনাগোনা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন।
সবমিলিয়ে বছরের শুরুটাই যেন হয়েছে ধ্বংসের ভবিষ্যদ্বাণী দিয়ে। ১৯৯৬ সালে মারা গিয়েছিলেন বুলগেরিয়ান রহস্যবক্তা বাবা ভাঙ্গা। তাঁর আসল নাম, ভাঙ্গেলিয়া পান্ডেভা গুশতেরোভা। নিউ ইয়র্ক পোস্ট, দ্য মিরর এবং এক্সপ্রেসের মতো সংবাদমাধ্যমের ব্যাপক প্রতিবেদন অনুসারে, বাবা ভাঙ্গার অনুসারীরা ২০২৬ সালে বেশ কিছু রহস্যময় ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন।
সারা বিশ্বের বিভিন্ন ভবিষ্যৎদ্রষ্টাদের কথা একত্রিত করলে, অনেকেই বলছেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হবে এবছরই। রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এবং ইউরোপে সংঘাত চরমে উঠবে। সেই সঙ্গে মানুষের জীবকে চরম অনিশ্চিত করে তুলতে পারে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, চরম আবহাওয়া। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আধিপত্য, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা গ্রাস করতে পারে।
ইন্ডিয়া টুডে - তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, অন্যদিকে আবার বিখ্যাত ভবিষ্যৎদ্রষ্টা নস্ত্রাদামুসের মতে, "রক্তের নদী", মহামারী এবং অত্যাচারীদের বাড়বাড়ন্ত ঘটবে এ বছরই । ব্রাজিলের অ্যাথোস সালম, যাঁকে "জীবন্ত নস্ত্রাদামুস" বলা হয়,তিনিও ২০২৪ সালে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, সামনেই বিশ্বযুদ্ধ, সাইবার সংঘাত আসন্ন। তাহলে কি "ডুমস ডে" চলেই এল?
ডিসক্লেমার : কোনও রাশির জাতক বা জাতিকার ভাগ্যে কী রয়েছে সেই সংক্রান্ত কোনো মতামত এবিপি লাইভের নেই। এবিপি লাইভ জ্যোতিষ সম্পর্কিত কোনো সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।