Astrology : এই ব্যক্তিরা না চাইলেও ঋণের বোঝা বাড়ে, জানালেন জ্যোতিষী, আপনিও কি এমন অবস্থায়?

আর্থিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, ঋণ আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। গ্রহের কারণে এই সমস্যা হয়, যা প্রতিকারের মাধ্যমে কমানো যেতে পারে।

Continues below advertisement

এই ব্যক্তিরা না চাইলেও ঋণের বোঝা বাড়ে, জানালেন জ্যোতিষী

Continues below advertisement
1/6
ঋণ প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য একটি গুরুতর অর্থনৈতিক বোঝা। এতে মানসিক চাপ বাড়ে। মানসিক অস্থিরতা বাড়ায়। ঋণের জালে আটকে পড়া ব্যক্তিরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও ভাবতে পারে না। বর্তমান জীবনের ছোটখাটো আনন্দও উপভোগ করতে পারে না।
2/6
ঋণ কেউ শখ করে নেয় না। আর্থিক পরিস্থিতি নিতে বাধ্য করে। তবে জ্যোতিষী অনিশ ব্যাসের মতে, অনেক সময় ঋণ বা লোনের কারণ হতে পারে জন্মছকের বিশেষ যোগও, যে কারণে কারও ঋণের বোঝা বাড়ে বা ঋণ নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
3/6
জ্যোতিষশাস্ত্রে ঋণ এবং আর্থিক সংকটের মধ্যে কিছু সম্পর্ক আছে।কয়েকটি গ্রহের অবস্থানের সঙ্গে জড়িত বলে এই ঋণ। জন্মছকে কিছু বিশেষ গ্রহ দুর্বল থাকলে , পাপ প্রভাবযুক্ত বা নীচ রাশিতে থাকলে, ব্যক্তির বারবার ঋণ নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অনেক সময়, কোনো কারণ ছাড়াই খরচ এবং ঋণের চাপ বাড়ে।
4/6
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, জন্মছকের ষষ্ঠ, অষ্টম এবং দ্বাদশ ভাবকে ঋণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এই ভাবগুলি থেকেই ঋণ বৃদ্ধি, আর্থিক সমস্যা এবং মানসিক চাপের মতো বিষয়গুলির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
5/6
এছাড়াও, মঙ্গল গ্রহকেও ঋণের কারণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। মঙ্গলের অশুভ প্রভাব ব্যক্তির উপর ঋণের বোঝা বা আর্থিক সংকট নিয়ে আসে। জন্মছকে মঙ্গল গ্রহ যদি অশুভ অবস্থানে থাকে বা অষ্টম, দ্বাদশ বা ষষ্ঠ ঘরে থাকে তবে ঋণ বৃদ্ধি পায়।
Continues below advertisement
6/6
গুরুগ্রহকে ধন-সম্পদের কারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বৃহস্পতির অশুভ অবস্থানও বড় আর্থিক ক্ষতি করে। এমন পরিস্থিতিতে আয়ের উৎস কমে যায় এবং সীমিত আয়ে একজন ব্যক্তির খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।
Sponsored Links by Taboola