আজ নীলষষ্ঠী পালন কেন? উপোস ভাঙার আগে এই ব্রতকথা অবশ্যই পড়বেন
চৈত্র সংক্রান্তির আগে পালিত হয় নীল ষষ্ঠী। সন্তানের মঙ্গল কামনায় এই বিশেষ ব্রত আজও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জানুন নীল ষষ্ঠীর ব্রতকথা, পুজোর নিয়ম এবং এর আসল মাহাত্ম্য
Continues below advertisement

নীল ষষ্ঠী ২০২৬
Continues below advertisement
1/9
বাংলা বছরের একেবারে শেষ লগ্নে, চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পালিত হয় নীল ষষ্ঠী। অনেকেই একে ‘নীলের পুজো’ নামেও চেনেন। এই বিশেষ দিনে মা ষষ্ঠী ও ভগবান শিবের আরাধনা করা হয় সন্তানের মঙ্গল কামনায়।
2/9
বিশ্বাস করা হয়, এই ব্রত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করলে সন্তানদের অকল্যাণ দূর হয় এবং সংসারে সুখ-শান্তি ফিরে আসে। উপোস, পুজো ও বিশেষ নিয়ম মেনে এই ব্রত পালনের প্রচলন বহুদিনের।
3/9
অনেককাল আগে এক গ্রামে এক ব্রাহ্মণ ও তাঁর স্ত্রীর বাস ছিল। তাঁরা অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ ছিলেন, কিন্তু নীল ষষ্ঠী ব্রতের কথা জানতেন না।
4/9
তাঁদের সংসারে একাধিক সন্তান জন্মালেও কেউই দীর্ঘদিন বাঁচত না। বারবার সন্তান হারিয়ে ভেঙে পড়েন সেই দম্পতি। সংসারের সমস্ত সুখ তাঁদের কাছে অর্থহীন হয়ে ওঠে।
5/9
শেষমেশ তাঁরা কাশীতে গিয়ে মহাদেবের শরণ নেন। একদিন গঙ্গায় স্নান করে পাড়ে বসে তাঁরা দুঃখ করছিলেন। এমন সময় এক বৃদ্ধা এসে তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, কেন তাঁরা কাঁদছেন।
Continues below advertisement
6/9
ব্রাহ্মণী নিজের দুঃখের কথা খুলে বললে সেই বৃদ্ধা, যিনি আসলে ছদ্মবেশে মা ষষ্ঠী ছিলেন, তাঁদের নীল ষষ্ঠী ব্রত পালনের উপদেশ দেন।
7/9
তিনি বলেন, চৈত্র মাস জুড়ে সংযম পালন করে সংক্রান্তির আগের দিন মা ষষ্ঠী ও ভগবান শিবের পুজো করতে হবে। উপবাস থেকে নিরামিষ আহার ও শরবত দিয়ে উপোস ভাঙতে হবে।
8/9
এই ব্রত পালন করলে শিব সন্তুষ্ট হন এবং সন্তানদের মঙ্গল করেন—এই আশীর্বাদ দিয়ে মা ষষ্ঠী অন্তর্ধান করেন। এরপর সেই দম্পতি ব্রত পালন করেন এবং তাঁদের জীবনে সুখ ফিরে আসে। তাঁদের সন্তানরাও সুস্থভাবে বাঁচতে শুরু করে।
9/9
ডিসক্লেমার : ধর্মীয় বিশ্বাস নিজস্ব। এ ব্যাপারে কোনও মতামত এবিপি লাইভের নেই। এবিপি লাইভ ধর্ম সম্পর্কিত কোনো সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
Published at : 12 Apr 2026 10:46 PM (IST)