Subscription Based Social Media: ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ করতে দিতে হবে টাকা! হঠাৎ সাবস্ক্রিপশন চালু করল মেটা, কিন্তু কেন
Meta Subscription Plans: সোশ্যাল মিডিয়াতেও গাঁটের কড়ি খরচ করতে হবে? কেন সাবস্ক্রিপশন চালু করল মেটা? ছবি: ফ্রিপিক, Gemini.
Continues below advertisement

Meta Subscription Plans. মেটার সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। ছবি: ফ্রিপিক, Gemini.
Continues below advertisement
1/10
নিখরচায় হাতের মুঠোয় পৃথিবী। অপরিচিত মানুষকে চেনার সুযোগ। নাগাল পাওয়া হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের। আবার ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কথা, মিটিং। এই সবকিছুই সহজ হয়ে উঠেছিল ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপের দৌলতে।
2/10
একই সঙ্গে বৈশ্বিক নাগরিক হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল ইনস্টাগ্রাম। পছন্দের তারকাকে ফলো করা থেকে ছবি, ভিডিওয় কার্যত মজে রয়েছেন সকলে। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই এতদিন ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করা যেত। কিন্তু ব্যবসায় বড় পরিবর্তন আনল Meta.
3/10
ধনকুবের মার্ক জ়াকারবার্গের সংস্থা Meta-ই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামের মালিক। সম্প্রতি সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান চালু করেছে তারা। চালু হয়েছে Facebook Plus, Instagram Plus, WhatsApp Plus পরিষেবা। প্রত্যেকটি পরিষেবা বাবদ মাসে ৯৯টাকা দিতে হচ্ছে। ভারতে ছ’মাসের জন্য ৫০% ডিসকাউন্টও রয়েছে এই মুহূর্তে।
4/10
পাশাপাশি, বিজনেসেস, ক্রিয়েটর্স এবং Meta AI ব্যবহারকারীদের জন্য AI Chatbot-ও আনা হয়েছে। পাওয়ার ইউজার্সদের জন্য আপগ্রেডেট টিয়ার্স নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে তারা।
5/10
Meta One Plus-এর মাসিক খরচ ৭৭৫ টাকা, Meta One Premium-এর ১৯৩৯ টাকা। সেক্ষেত্রে অত্যাধুনিক AI-এর নাগাল মিলবে। বর্তমানে দৈনিক Meta ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫০ কোটি। Meta-র হেড অফ প্রডাক্ট নেওমি গ্লেইটের দাবি, সাবস্ক্রিপশন নিলে আরও মজাদার ফিচার্স মিলবে।
Continues below advertisement
6/10
কিন্তু হঠাৎ টাকা নিতে শুরু করল কেন Meta? বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর পিছনে যে বিপুল টাকা খরচ হচ্ছে, তা তোলাই লক্ষ্য Meta-র। পাশাপাশি, AI নিয়ে প্রতিযোগীদের তুলনায় এখনও পিছিয়ে তারা। সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠাও লক্ষ্য।
7/10
সম্প্রতি Scale AI-এর প্রতিষ্ঠাতা আলেকজান্ডার ওয়াংকে নিজেদের Superintelligence Lab-এর দায়িত্ব দিয়েছে Meta, যাতে ১৪.৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে তাদের। AI খাতে বিপুল পরিমাণ ব্যয়ের ফলে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে তাদের। সুফল মিলবে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
8/10
AI-এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, ডেটা সেন্টার এবং যন্ত্রাংশের খরচ বাবদ ২০২৬ সালে আগের চেয়ে বেশি টাকা বরাদ্দ করেছে Meta, ১২৫ থেকে বাড়িয়ে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার করা হয়েছে।
9/10
Meta-র লক্ষ্য শুধুমাত্র আমেরিকা নয়, ভারতের AI ডেটা সেন্টার গড়ে তুলতে চায় তারা। গুজরাতের জামনগরে তৈরি হবে ডেটা সেন্টারটি। সেই মতো রিলায়্যান্স ইন্ডস্ট্রিজের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে তাদের।
10/10
এই বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের টাকা ফিরবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে যথেষ্ট। কারণ বিজ্ঞাপন থেকে আর আগের মতো আয় নেই তাদের। তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আয়ের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে খবর। Truist Securities-এর হিসেব বলছে, সাবস্ক্রিপশন থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ বিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে Meta-র। অন্য দিকে, Deutsche Bank-কে উদ্ধৃত করে The Wall Street Journal জানিয়েছে, আগামী বছরই সাবস্ক্রিপশন থেকে ১৫.৬ বিলিয়ন আয় হতে পারে তাদের।
Published at : 17 Jun 2026 06:18 PM (IST)