প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে গেলে মানতে হবে এই নিয়ম, না হলে হাতে আসবে না কিছুই!
পিএফ থেকে সব প্রয়োজনে টাকা তোলা যায় না। নিয়ম জেনে নিন, কোন কোন ক্ষেত্রে টাকা তোলা যায় না।
Continues below advertisement
পিএফ থেকে টাকা তুলতে গেলে কী কী নিয়ম মানতেই হবে?
Continues below advertisement
1/6
আপনি কর্মজীবনে থাকাকালীন আপনার পিএফের পুরো টাকা তুলতে পারবেন না। অনেকেই মনে করেন প্রয়োজন হলে তারা পুরো ব্যালেন্স তুলে নিতে পারবেন, তবে তা হয় না। আপনি অবসর গ্রহণ করলে বা কমপক্ষে দুই মাস বেকার থাকলে তবেই সম্পূর্ণ সেটেলমেন্ট পাওয়া যায়। চাকরি করার সময় শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট কারণে আংশিক উত্তোলন পাওয়া যায়।
2/6
দৈনিক খরচ বা জীবনশৈলী সম্পর্কিত জিনিসের জন্য পিএফের টাকা ব্যবহার করা যায় না। যদি আপনি মোবাইল কিনতে, ঘুরতে যেতে বা কোনো শখ পূরণ করতে চান, তাহলে নিয়ম এটি অনুমোদন করে না। পিএফের আসল উদ্দেশ্য ভবিষ্যতের নিরাপত্তা, দৈনন্দিন খরচ মেটানো নয়।
3/6
ঋণ পরিশোধ বা বিনিয়োগের জন্যও পিএফ থেকে টাকা তোলা যায় না। অনেকে এটিকে এক ধরনের ব্যাকআপ ফান্ড মনে করেন, কিন্তু নিয়ম এর বিরুদ্ধে। শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড বা অন্য কোনো বিনিয়োগের জন্য এই টাকার ব্যবহার করা যায় না। এই টাকা শুধুমাত্র জরুরি অবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিস্থিতির জন্য সুরক্ষিত রাখা হয়।
4/6
বাড়ি বা গাড়ি কেনার জন্য সরাসরি পিএফের টাকা ব্যবহার করা যায় না। লোকেদের মনে হয় যে বড় কেনাকাটার জন্য এই ফান্ড সাহায্য করবে। কিন্তু তা নয়। পিএফের উদ্দেশ্য বিলাসিতার খরচ পূরণ করা নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়া। তাই এর ব্যবহারের উপর কঠোর সীমা রাখা হয়েছে।
5/6
কর বাঁচানোর জন্য পিএফ তোলাও সঠিক উপায় নয়। যদি আপনি ৫ বছর আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেন এবং টাকার পরিমাণ 50000 টাকার বেশি হয়, তাহলে টিডিএস কাটবেই। ফর্ম পূরণ করলেও এই নিয়ম বদলায় না। তাই পিএফকে কর বাঁচানোর উপায় মনে করা ভুল হতে পারে।
Continues below advertisement
6/6
বিয়ে, পড়াশোনা বা চিকিৎসার খরচের নামেও সব সময় টাকা তোলা যায় না। এর জন্য সীমা নির্ধারিত আছে এবং সঠিক নথি দেওয়া জরুরি। কাগজ ছাড়া টাকা তোলা সম্ভব নয়। এছাড়াও, চাকরি ছাড়ার পরেও সঙ্গে সঙ্গে পুরো টাকা পাওয়া যায় না। যতক্ষণ না পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বেকারত্ব প্রমাণ করা যায়।
Published at : 23 Mar 2026 04:08 PM (IST)
= 6">