ঘূর্ণিঝড়ের পর নিম্নচাপের বৃষ্টিতে জলের তলায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর, রায়দিঘি ও উত্তরের মিনাখাঁ
প্রবল বৃষ্টিতে একই অবস্থা উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁতেও। বিদ্যাধরী নদীর বাঁধ ভেঙে মোহনপুর পঞ্চায়েতের হরিণহুলা, চণ্ডীবাড়ি, মল্লিকভেড়ি-এলাকায় জলের তলায় চাষের জমি। ঘরে জল ঢুকে বেঘর হয়েছেন অনেকে। আকাশে কালো মেঘ দেখলেই বুক দুরুদুর করে এখানকার মানুষদের। কবে বদলাবে পরিস্থিতি, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।
ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাঁধ ভেঙেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরে। সেইসময় অস্থায়ীভাবে বাঁধ মেরামতিও করে সেচ দফতর। কিন্তু, নিম্নচাপের জেরে দুদিনের নাগাড়ে বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ায় ফের বিপত্তি। বাঁধ উপচে সমুদ্রের নোনা জল ঢুকেছে লোকালয়ে। প্লাবিত বঙ্কিমনগর, সুমতিনগর, বোটখালি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা।
মে মাসে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে তছনছ হয়ে গিয়েছিল সবকিছু। তিন মাস পেরোতে না পেরোতে ফের প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্বিসহ অবস্থা। সমুদ্র আর নদীর জল ঢুকে প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা। নিরাশ্রয় বহু মানুষ।
কোথাও কোথাও বাঁধে দেখা দিয়েছে ধস। চাষের জমি, বাড়ি জলমগ্ন। আতঙ্কে বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছে ত্রাণ শিবিরে। দুর্যোগের খবর পেয়ে বঙ্কিমনগরে বাঁধ পরিদর্শন করেন সাগরের তৃণমূল বিধায়ক। এদিকে, মণি নদীর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকেছে রায়দিঘির নারায়ণপুরে। যে কোনও মুহূর্তে ভাঙতে পারে বাড়ি, এই আশঙ্কায় শেষ সম্বলটুকু নিয়ে ঘর ছেড়েছেন অনেকে। এরপরই দুর্গতদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যায় প্রশাসন।