Belur Math: বেলুড় মঠে সন্ধিপুজো, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে মহাষ্টমী ও মহানবমীর মিলন মুহূর্তে বিশেষ পুজো

মহাষ্টমী ও মহানবমীর সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয় বলে এর নাম ‘সন্ধিপুজো’

দেবী দুর্গার উগ্র ও ভয়াল রূপ এই সময় পূজিত হয়

1/7
মহাষ্টমী ও মহানবমীর মিলন মুহূর্তে সন্ধিপুজো৷ এই পুজোয় দেবীকে দেখানো হয় চামুণ্ডা রূপে। প্রতিমার উদ্দেশে অর্পণ করা হয় ১০৮টি পদ্ম ও ১০৮টি দীপ৷
2/7
কলকাতা থেকে কোচবিহার, মালদা থেকে মেদিনীপুর-সর্বত্রই সন্ধিপুজোর আচারে রীতি ও ঐতিহ্য অটুট৷ বেলুড় মঠেও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে এই পুজো হয়।
3/7
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মেনে বেলুড় মঠে সন্ধিপুজো শুরু হবে বিকেল ৫টা ৪৩ মিনিট থেকে, চলবে সন্ধে ৬টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত। এই সময় অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে এবং শুভ শক্তির স্থাপনা হয়।
4/7
দেবী দুর্গার উগ্র ও ভয়াল রূপ এই সময় পূজিত হয়। মহাষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট এবং মহানবমীর প্রথম ২৪ মিনিট, মোট ৪৮ মিনিট ধরে চামুণ্ডা দেবীকে পুজো করা হয়।
5/7
সন্ধিপুজো দুর্গাপুজোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা দেবী চামুণ্ডার পূজা ও অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক।
6/7
পুরাণ অনুসারে, যুদ্ধের সময় রক্তবীজ অসুরের সমস্ত রক্ত পান করেছিলেন দেবী। বলা হয়, এই সময় দেবীর মধ্যে সমস্ত মায়া-মমতার অবসান ঘটেছিল। তখন তিনি সর্বসংহারকারিণী।
7/7
পুরাণ মতে, শুম্ভ-নিশুম্ভে নিধনের জন্য দেবী অগ্রবর্তী। তখন চণ্ড ও মুণ্ড দেবীকে আক্রমণ করে বসেন। দেবীর মুখমণ্ডল কৃষ্ণবর্ণ হয়ে ওঠে। দেবীর ত্রিনয়ন থেকে দেবী কালিকা প্রকট হন। চামুণ্ডা রূপে চণ্ড ও মুণ্ডের সংহার করেন।
Sponsored Links by Taboola