Lakshmir Bhandar: কীভাবে আবেদন করবেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য, কী কী লাগবে

প্রতীকী ছবি (সৌজন্য-পিক্সাবে)
বর্তমানে এই প্রকল্পে তপশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের মহিলারা মাসে ১২০০ এবং সাধারণ সম্প্রদায়ের মহিলারা হাজার টাকা করে পান।(ছবি সৌজন্য-পিক্সাবে)
এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে গেলে আবেদনকারিণীকে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে।(ছবি সৌজন্য-পিক্সাবে)
যিনি আবেদন করছেন তাঁর পরিবারকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের অধীনে নাম নথিভুক্ত থাকতে হবে।(ছবি সৌজন্য- গেটি)
দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফর্ম ফ্রি-তে পাওয়া যায়। সেটি নিয়ে ঠিকঠাক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।(ছবি সৌজন্য- গেটি)
ফর্মের সঙ্গে দিতে হবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের জেরক্স, আধার কার্ড। তপশিলি জাতি বা উপজাতি সম্প্রদায়ের হলে সেই সার্টিফিকেট।(ছবি সৌজন্য- গেটি)
আবেদনকারিণীর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স কপি।(ছবি সৌজন্য- গেটি)
যিনি আবেদন করছেন তাঁর এক কপি রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি।(ছবি সৌজন্য- গেটি)
আবেদনকারিণীকে একটি ঘোষণাপত্র দিতে হবে যে তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। কোনও সরকারি সংস্থা বা চাকরি থেকে মাসমাইনে বা পেনশন পান না। সেই সঙ্গে উল্লেখ করতে হবে তাঁর দেওয়া সমস্ত তথ্য সঠিক।(ছবি সৌজন্য-পিক্সাবে)
প্রয়োজন পড়লে রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনের অবস্থা পরীক্ষা করে দেখা যাবে।(ছবি সৌজন্য- গেটি)
ফর্মটির তথ্য ঠিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করবে নেবেন সরকারি আধিকারিকরা। তারপর সেটি অনুমোদিত হয়ে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে।(ছবি সৌজন্য-পিক্সাবে)