Productivity Tips: গোটা চ্যাপ্টার মগজস্থ হবে মাত্র ১৫ মিনিটে, হাতে সময় কম থাকলেও চিন্তা নেই, পরীক্ষার আগে রিভিশন করুন এভাবে…
Students Chapter Revision Tips: হাতে সময় কম থাকলেও চিন্তা নেই। এভাবে পড়লে মনে থাকবে। ছবি: ফ্রিপিক।

ছবি: ফ্রিপিক।
1/11
মাথায় কিছু না ঢুকলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বইয়ে মুখ গুঁজে বসে থেকে লাভ নেই। অনেকে মুখস্থ বিদ্যা রপ্ত করলেও, একটু এদিক ওদিক হলেই আসল পয়েন্টগুলি বাদ চলে যায়।
2/11
তাই পরীক্ষার হলে বসে হাত কামড়ানো ছাড়া উপায় থাকা। তবে পড়াশোনা মগজস্থ করার কিছু সহজ উপায় রয়েছে। অক্ষরে অক্ষরে মেনে চললে একটি গোটা চ্যাপটার রিভিশন করতে সময় লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট।
3/11
দীর্ঘ নোটসের কোনও প্রয়োজন নেই। বরং মূল বিষয়গুলির উপর জোর দিতে হবে। মাথায় গেঁথে নিতে হবে কিছু কিওয়ার্ডস, ফর্মুলা । কোন কিওয়ার্ডসের বিষয়বস্তু কী, বুঝে নিলেই লেখার সময় সমস্যা হবে না।
4/11
আমাদের মস্তিষ্ক ‘ভিজ্যুয়াল ইনফো’ সহজেই স্মৃতিতে গেঁথে নেয়। দীর্ঘ নোটসের চেয়ে ছোট ছোট পয়েন্ট মনে রাখা সহজ। এর ফলে পরীক্ষার সময় রিভিশনে সময়ও বাঁচে। মানসিক চাপ তৈরি হয় না। ভুগতে হয় না উৎকণ্ঠায়।
5/11
পড়ার সময় মূল পয়েন্টগুলির উপর জোর দিতে হবে। সংজ্ঞা এবং ফর্মূলা মনে রাখা প্রয়োজন। উদাহরণ বাদ দিলেও চলবে। পূর্ণ বাক্য মুখস্থ না করে, মূল শব্দগুলি মনে রাখলে লিখতে অসুবিধা হবে না।
6/11
একটি পাতা পড়ার পর বই বন্ধ করে দিতে হবে। এর পর যা পড়লেন, চোখ বন্ধ করে তার বিষয়বস্তু মনে করার চেষ্টা করুন। এভাবে দু’বার মনে করলেই সবকিছু আয়ত্তে চলে আসবে।
7/11
কাউতে পড়াতে বসেছেন, এমনটা কল্পনা করতে হবে। সেই মতো কিওয়ার্ডস ধরে ধরে নিজেকে প্রশ্ন করুন। সেই মতো জবাব বের করুন নিজেই। এতেও সবকিছু মনে থাকবে।
8/11
আবোল তাবোল না ভেবে ২৫ মিনিট একেবারে মন দিয়ে পড়াশোনা করুন। ওই সময় অন্য কোনও দিকে তাকাবেন না, অন্য কিছু ভাববেন না। এর পর ৫ মিনিট ব্রেক নিন। এভাবে চার বার ২৫ মিনিট করে পড়ুন, ব্রেক নিন ৫ মিনিট। দেখবেন কিছু ভুলছেন না।
9/11
হাতে সময় কম থাকলে আগেই ঘাবড়ে যাবেন না। যেগুলি আগে থেকে জানা, সেগুলি সবার আগে ঝালিয়ে নিন। যেগুলি পড়া হয়নি, পরে সেগুলি পড়ুন।
10/11
সকালে উঠে পড়লে ভাল পড়া হয় কারও, কেউ আবার রাতে পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। যে সময় বেশি এনার্জি পাবেন, সেই সময় কঠিন চ্যাপ্টার বেছে নিন। একেবারে শেষবেলায় পড়ার জন্য কঠিন চ্যাপ্টার ফেলে রাখবেন না।
11/11
ডিসক্লেইমার : প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।
Published at : 30 Dec 2025 02:08 PM (IST)