Rwitobroto Mkherjee: স্কুলে পড়ার সময় বান্ধবীর সঙ্গে প্রেম, ছোটবেলার পুজোর স্মৃতি ভাগ করে নিলেন ঋতব্রত মুখোপাধ্য়ায়

ঋতব্রত মুখোপাধ্য়ায়ের পুজোপ্রস্তুতি
পুজোর আগে জমিয়ে কেনাকাটা করতে এখন ব্য়স্ত আট থেকে আশি। চলছে পুজোর পাঁচদিন কীভাবে কাটানো যায়, তার জম্পেশ প্ল্য়ানিংও। এই তালিকায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে সেলিব্রিটিরাও। এবছর পুজো কেমন করে কাটাবেন অভিনেতা ঋতব্রত মুখোপাধ্য়ায়, জানালেন এবিপি লাইভকে।
পুজোয় শপিং করা 'দুর্গা সহায়' অভিনেতার না পসন্দ। তাই মা-মাসিদের কিনে আনা জামাকাপড়েই নিজেকে সাজিয়ে তোলেন অভিনেতা।
ঋতব্রত মুখোপাধ্য়ায়ের পুজো একেবারে পাড়ায় বসে আড্ডা মেরে, ভোগ খেয়ে,অঞ্জলি দিয়েই কাটে। দুর্গাপুজোর কটা দিন কোনও কাজ নয়। বছরের এই সময়টা বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানোটাই অভিনেতার প্রধান লক্ষ্য়।
কাজ বা পড়াশোনার সূত্রে স্কুলের এখন অনেক বন্ধুই বাইরে। তবে দুর্গাপুজোয় তারা সবাই কলকাতায় আসে প্রত্য়ক বছর। তাই সারাবছরের জমানো গল্পগুলো তখনই বলা হয়।
আর সেই সকল বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখে,দেদার পেটপুজো করে পুজো কাটাতেই ভালবাসেন 'গোয়েন্দা জুনিয়র'। আর তাই এভাবেই স্পেশাল হয়ে ওঠে দুর্গাপুজোর দিনগুলো।
পুজোর সময় মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটানোও আবশ্য়িক। তাই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার ফাঁকেই বাড়িতেও সময় দেন 'পর্ণমোচী' অভিনেতা।
তবে এই সময় কলকাতার বাইরে যেতে নারাজ তিনি। কারণ ঋতর মতে, পুজোর যে রেশ কলকাতার বুকে, তা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তাই পুজোয় কলকাতা ছেড়ে অন্য় কোথাও? নৈব নৈব চ।
একাধিক ছবিতে অনস্ক্রিন প্রেমের দৃশ্য়ে অভিনয় করলেও রিয়েল লাইফ লাভস্টোরির অভিজ্ঞতাটা ঠিক কেমন? এবিপি লাইভকে জানালেন 'ওপেন টি বায়োস্কোপ' অভিনেতা।
'স্কুলে পড়ার সময় এক বান্ধবীকে ভাল লাগত,পুজোর সময় মনে হয় সে শাড়ি পরে আসবে, আর আমি পাঞ্জাবিতে।
এদিক সেদিক ঘুরে বেড়ানো, ঠাকুর দেখা', ছোটবেলার প্রেমের স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল ঋতব্রতর মনে। তবে বর্তমানে কী এভাবেই কেউ হৃদয় জুড়ে আছে? সে বিষয়টা অবশ্য খোলসা করলেন না অভিনেতা।