'তবু এই খাতাটার সাঁকো যদি..' এবিপি আনন্দর হাতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শেষ লেখার খাতা, স্টাডিরুমের এক্সক্লুসিভ ছবি
রইল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্টাডিরুমের আরপও কিছু ছবি।
ডায়েরির পাতায় মুক্তোর মত হাতের লেখায় রয়েছে ভাবনা।
এবিপি আনন্দের হাতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শেষ কাজ
লকডাউনের সময় এঁকেছিলেন অনেক ছবি। লিখেওছিলেন।
টেবিল থেকে পাওয়া গেল কালো ডায়েরি। তাতে লকডাউনের সময়ের তারিখ লেখা।
দরজা খুলতেই চোখে পড়ে বড় ফ্রেমে বাঁধানো শিশির কুমার ভাদুড়ির সেই ছবি।
নাট্য় উৎসবের মানপত্র
দরজা খুলতে প্রথমেই চোখে পড়ত শিশির কুমার ভাদুড়ির ফ্রেমবন্দি ছবি। থরে থরে সাজানো বই, আঁকার খাতা, রঙ পেন্সিল। আজও সেই ঘরে তাঁর প্রবল উপস্থিতি, তবে কেবল ছবির ফ্রেমে। কিংবদন্তি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্টাডিরুম ঘুরে দেখল এবিপি আনন্দ।
চৌকি জোড়া বই।
বাড়ির লনে হাঁটতে পছন্দ করতেন। দিনের বেশিরভাগ সময়ই কাটাতেন এই স্টাডিরুমে।
লকডাউনে বাড়িতে বন্দি হলেও থামেনি লেখা, আঁকা।
লকডাউনকে মেনে নিতে পারেননি মন থেকে। চিরকাল কাজ করতে ভালোবাসতেন সৌমিত্র।
প্রিয় লেখক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর লেখা বইয়ের দেখা মিলল স্টাডিতে।
রয়েছে প্রচুর বাংলা ও ইংরাজী বই। গল্প, কবিতা পড়তে সবই
জীবনের শেষভাগে শুরু করেছিলেন আঁকা। টেবিলে রয়েছে সেই আঁকার খাতাও।
সাজানো বই, ডায়েরি, আঁকার খাতা। এই টেবিলে বসেই কাজ করতেন সৌমিত্র।