Eye Infection: সারাক্ষণ চোখ কড়কড় তরুণীর, ভিতরে কিলবিল করছিল পরজীবী, দেখে চমকে উঠলেন ডাক্তারও

Eye Parasites: চোখ কড়কড় করছিল লাগাতার। কিছুতেই সুরাহা হচ্ছিল না। শেষে দেখা গেল... ছবি: ফ্রিপিক।

ছবি: ফ্রিপিক।

1/11
সারাক্ষণ চোখ কড়কড় করছিল। কাজ হচ্ছিল না জলের ঝাপটায়। ভাপ দিয়েও দেখেন। কিন্তু কমছিল না জ্বালা। কী হয়েছে প্রথমে ধরতে পারেননি চিকিৎসকরাও। পরে যখন আসল কারণ খোলসা হল, হতবাক হয়ে গেলেন সকলে।
2/11
চিনের বেজিং থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। ৪১ বছর বয়সি ওই মহিলার ডান চোখে সমস্যা হচ্ছিল। সারাদিন কড়কড় করছিল চোখ। কিছুতেই সুরাহা হচ্ছিল না। বেশ কিছুদিন এমন চলার স্থানীয় হাসপাতালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
3/11
হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওই মহিলার চোখ পরীক্ষা করেন। তারার উপর যে স্বচ্ছ আবরণ রয়েছে, সেটি ক্ষতিগ্রস্ত বলে দেখা যায়। এছাড়া আর কিছু মেলেনি। তাই ওই মহিলাকে আইড্রপ লিখে দেওয়া হয়। দেওয়া হয় অ্যান্টিবায়োটিকও, যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়।
4/11
কিন্তু আইড্রপ দিয়ে, ওষুধ খেয়েও কোনও লাভ হচ্ছিল না। সেই অবস্থায় একমাস অপেক্ষার পর ফের হাসপাতালে ছুটে যান ওই মহিলা। জানান, চোখ কড়কড় বন্ধ হয়নি। বরং চোখে কিছু আটকে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সারাক্ষণ চোখ লাল থাকছে, জ্বালাও করছে তাঁর।
5/11
ঠিক কী সমস্যা হচ্ছে, তা বুঝতে পারছিলেন না চিকিৎসকরাও। পুনরায় ওই মহিলার চোখ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাতে দেখা যায়, চোখের উপরের যে পাতা, তার নিম্নভাগে ব্রণর মতো কিছু ফুসকুড়ি গজিয়েছে।
6/11
আইলিড রিট্র্যাক্টরের সাহায্য়ে চোখের পাতা উল্টে ধরেন চিকিৎসকরা। এর পর আরও কাছ থেকে পরীক্ষা করতে থাকেন ফুসকুড়িগুলি। আর তাতেই চক্ষুচড়কগাছ হয় তাঁদের।
7/11
চিকিৎসকরা দেখেন, যেগুলিকে ফুসকুড়ি ভাবছিলেন তাঁরা, সেগুলি আসলে ছোট ছোট পরজীবী। দিব্যি নড়াচড়াও করছে। সেগুলিকে বের করে আনতে চোখের পাতার অংশ অসাড় করার ওষুধ দেওয়া হয় মহিলাকে।
8/11
এর পর একে একে চারটি পরজীবী বের করে আনেন চিকিৎসকরা। সেগুলিকে ল্যাবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা করে দেখা যায়, ওই পরজীবীগুলি আসলে Thelazia Callipaeda, যা ওরিয়েন্টাল আইওয়র্ম নামেও পরিচিত। এই সংক্রমণকে Thelaziasis বলা হয়।
9/11
এর এক সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে মহিলার জ্বালা, চোখ কড়কড় ভাব কমে যায়। ফের চোখ পরীক্ষা করা হলেও, পরের দু’মাসে আর কোনও পরজীবী পাওয়া যায়নি।
10/11
কিন্তু এই ঘটনা অত্যন্ত বিরল বলে মত চিকিৎসকদের। তাঁদের দাবি মানুষের শরীরে Thelaziasis সংক্রমণ ঘটে না। আসলে গরু, বাছুর, কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, ইঁদুরের এই সংক্রমণ হয়। মাছি উড়ে বেড়িয়ে অন্যত্র বয়ে নিয়ে যায় সংক্রমণ। আসলে মাছি পশুর চোখের জল পান করে, যা থেকে সংক্রমণের বাহকে পরিণত হয় নিজে।
11/11
তবে এশিয়াতে আগেও Thelaziasis সংক্রমণ ধরা পড়ে। বিশেষ করে চিনে এমন ঘটনার নজির রয়েছে। ১৯১৭ সালে প্রথম এই সংক্রমণ ধরা পড়ে সেখানে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত, ১০০ বছরে সেখানে ৬৫০ জনের শরীরে এই সংক্রমণ ধরা পড়ে।
Sponsored Links by Taboola