Stroke Risk : পরিবারে স্ট্রোকের ইতিহাস থাকলে ৩০ পেরোলেই এই বিষয়গুলিতে নজর রাখুন

stroke_1

1/10
স্ট্রোক মানে মস্তিষ্কের কোনও অংশে হঠাৎ রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাওয়া। এর ফলে সেই অংশে আর অক্সিজেন পৌঁছোয় না। অক্সিজেনের অভাবে মস্তিষ্কের সেই অংশের কোষগুলির মৃত্যু হয়। আমাদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ কোনও না কোনও কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। কোনও অংশের কোষের মৃত্যু হলে, সেই অংশের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কাজ করার ক্ষমতা চলে যায়।
2/10
৩০-৩৫ বছর বয়সের পর থেকে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। আর এই প্রবণতা বেশি বেড়ে গিয়েছে কোভিড কালে।
3/10
কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর কমবয়সীদের মধ্যেও Blood Vessel Occlusion Stroke বা Venous Occlusion Stroke বেশি দেখা যাচ্ছে। এটা কিছুটা কোভিডের ফলে হওয়া ভ্যাসকুলোপ্যাথির (vasculopathy) জন্যই হচ্ছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।
4/10
পূর্বপুরুষদের স্ট্রোক হয়ে থাকলে কম বয়স থেকেই সতর্ক হতে হবে। জানতে হবে, পরিবারের অন্যদের স্ট্রোক হয়েছিল কেন। সেই কারণটি জানা থাকলে আগে থেকে চিকিৎসা করা যেতে পারে ।
5/10
হাইপার টেনশন বা হাই ব্লাড প্রেসারের প্রবণতা স্ট্রোকের অন্যতম কারণ । ধূমপান বা অতিরিক্ত মদ্যপান উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা বাড়ায়
6/10
ব্লাড প্রেসার কিন্তু মাসে একবার নয়, দিনে ২-৩ বার বাড়িতেই মাপতে হবে। খাতায় নোট রাখতে হবে। ডাক্তারবাবুকে BP-র তালিকা জানাতে হবে।
7/10
ব্লাড সুগার ধরা পড়লে সতর্কতা বাড়তে হবে । উচ্চ রক্তচাপের রোগী না হলে যে স্ট্রোক হতে পারে না, এমন ভেবে নেওয়ার কারণ নেই। পরিবারে স্ট্রোকের ইতিহাস থাকলে সতর্ক থাকতেই হবে ।
8/10
পরিবারে স্ট্রোকের ইতিহাস থাকলে, কিছু কিছু আগেভাগে পরীক্ষা করিয়ে নিলে অনেকটাই নিশ্চিন্ত থাকা যায়। সময় থাকতে চিকিৎসা করিয়ে খানিকটা নিরাপদ থাকা যায়। ডা. শুভমিত্র চৌধুরী জানাচ্ছেন, ব্লাড প্রেসার লিপিড প্রোফাইল সিআরপি ইসিজি
9/10
এই পরীক্ষাগুলি ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের নিয়ম করে বছরে ১-২ বার করানো প্রয়োজন। তাহলে বংশগত ভাবেও স্ট্রোকের সম্ভাবনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
10/10
সেই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, অতিরুক্ত মেদ জমতে দেওয়া যাবে না শরীরে। জাঙ্ক ফুড খাওয়া কমাতে হবে। রোজ আধঘণ্টা হাঁটাচলা করতেই হবে
Sponsored Links by Taboola