Self Love: নিজের প্রতি অবিচার করছেন না তো? একেবারে গোড়া থেকে শুরু করুন, ভালবাসতে শিখুন নিজেকে

Human Psychology: নিজেকে ভালবাসতে হবে সবার আগে। তাহলেই অনেক সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। ছবি: ফ্রিপিক।

Continues below advertisement

ছবি: ফ্রিপিক।

Continues below advertisement
1/12
জীবন বড়ই অনিশ্চিত। এক মুহূর্তে সব ভাল তো, পর মুহূর্তেই সব খারাপ। ধাক্কা খেতে খেতে একটা সময় পর নিজের উপরও বিতৃষ্ণা জন্মায় আমাদের।
2/12
কিন্তু যতই ঘাত-প্রতিঘাত আসুক না কেন, নিজেকে ভালবাসা এবং নিজেকে ভাল রাখা অত্যন্ত জরুরি। একদিনে কিছুই হয় না। নিজেকে ভালবাসতেও শিখতে হবে।
3/12
প্রথমেই নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে। বন্ধু বা কোনও প্রিয় মানুষের ক্ষেত্রে যেরকম সহানুভূতি দেখান, নিজের প্রতিও নরম হোন।
4/12
কঠিন সময়ে নিজেকে আশ্বস্ত করুন নিজে। বোঝান, ‘এখন সময়টা খারাপ। প্রত্যেক মানুষের জীবনেই খারাপ সময় আসে। এখন যে অনুভূতি, যন্ত্রণা অনুভব করছি, তা সাময়িক।’
5/12
নিজেকে নিজে চিঠি লিখুন। মনে করুন, কোনও বন্ধু চিঠি লিখছে আপনাকে। চিঠির ভাষা হোক নরম, নিজেকে উৎসাহ জোগান।
Continues below advertisement
6/12
শুধু মানসিক ভাবে নয়, শারীরিক ভাবেও নিজেকে আশ্বাস জোগান। আয়নার সামনে নিজেকে আলিঙ্গন করুন নিজেই। বুকের উপর হাত রেখে নিজে নিজের প্রশংসা করুন।
7/12
একঘেয়ে মনে হলেও, ধ্যান করুন। এতে নিজের ভাবনা, মানসিক অবস্থা পরিষ্কার হবে নিজের কাছে। নিজে নিজের সমালোচনা একটু বেশিই করছেন কি না, তাও বুঝতে পারবেন।
8/12
নিজে নিজেকে ঘৃণা করতে শুরু করেছেন? সবার আগে নেগেটিভ লোকজনের থেকে দূরত্ব বাড়ান। প্রথমে কথা বলা বন্ধ করুন। ধীরে ধীরে দেখা করা বন্ধ করতে হবে। ব্লক করে দিন সোশ্যাল মিডিয়াতেও।
9/12
নেতিবাচক পরিস্থিতি থেকেও দূরে রাখুন নিজেকে। এতে আপনার আচরণও নেতিবাচক হয়ে যেতে পারে। তাৎক্ষণিক উত্তেজনায় ভুল পদক্ষেপ করতে পারেন।
10/12
কখন বৃষ্টি হবে, কখন মেঘ জমবে আকাশে, তা যেমন আমাদের হাতে নেই, কিছু পরিস্থিতি বা কিছু মানুষকে হাতে রাখাও আপনার কম্মো নয়। কাউকে নিয়ন্ত্রণ বা পাল্টানোর চেষ্টা না করাই ভাল। নিজের উপর গুরুত্ব দিন।
11/12
নিজেকে অযোগ্য ভাবা বন্ধ করুন। নিজের কোন কোন জিনিস ভাল লাগে, তা লিখুন। সে চোখের রং হতে পারে, হাসি হতে পারে, চাকরি হতে পারে আবার নীতিবোধও হতে পারে।
12/12
একই ভাবে যা পেয়েছেন জীবনে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কতকিছু অতিক্রম করে এই জায়গায় এসে পৌঁছেছেন, ভাবুন সময় নিয়ে। যা পাননি, সেগুলিকে গুরুত্ব না দেওয়াই ভাল। ডিসক্লেইমার : প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।
Sponsored Links by Taboola