Monaco City: কয়েক মিনিটে হেঁটেই ঘোরা যায় পুরো দেশ! বিশ্বের আশ্বর্য জায়গাটি আজও অবাক করায়

এই দেশের তিন দিকে ফ্রান্সের সীমানা আর একদিকে ইতালির সীমানা।

1/7
জায়গাটি ইউরোপ মহাদেশের একটি রাষ্ট্র। আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম, এবং পৃথিবীর সর্বোচ্চ জনঘনত্ব-বহুল রাষ্ট্র। দেশটি ফ্রান্সের দক্ষিণ পূর্বে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।এই দেশের তিন দিকে ফ্রান্সের সীমানা আর একদিকে ইতালির সীমানা।
2/7
ফ্রান্সের থেকে অল্প দূরে অবস্থিত এই দেশটি খুব অল্প সময়েই পুরো ঘুরে আসা যায়। দেশটি অনেক ছোট, বিস্তৃত মাত্র ১.৯৫ বর্গ কিলোমিটার। কম জায়গায় থাকার কারণে মোনাকো দেশটি মোনাকো শহর নামেও পরিচিত।
3/7
মোনাকো স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৯৩ সালের ২৮ মে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্যপদ লাভ করে। এটি রিপাবলিক অব জেনোয়া থেকে ১২৯৭ সালে ৮ জানুয়ারি স্বাধীনতা লাভ করে।
4/7
মাত্র ৫৬ মিনিটে সম্পূর্ণ দেশ ভ্রমণ করা যায় অর্থাৎ পায়ে হেঁটে যেতে এক ঘণ্টারও কম সময় লাগে। তাই শুনতে মজার লাগলেও বলাই বাহুল্য এখানকার নাগরিকরা তাদের সারা দেশে একবার নয়, দিনে বহুবার ঘুরে বেড়ায়।
5/7
ক্ষুদ্র বলে মোটেও হেলাফেলা নয়। এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ। মোনাকোতে ১২৫ দেশের মানুষ বসবাস করে। সরকারি ভাষা ফরাসি হলেও তারা বিভিন্ন ধরনের ভাষা ব্যবহার করে থাকেন।
6/7
এটি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ, যার মাথাপিছু আয় প্রায় ১,৬৮,০০০ ডলার। এর রাজধানী মন্টে কার্লো, যা ক্যাসিনোর জন্য বিখ্যাত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জুয়ার আসর বসে মন্টে কার্লোতে। এটিই জুয়াড়িদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। 
7/7
শুধু তাই নয়, ১৯২৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে মোনাকো গ্র‍্যান্ড প্রিক্স (কার রেস প্রতিযোগিতা) আয়োজন করে থাকে। এটি প্রতি বছরই মে মাসে আয়োজন করা হয়। মোনাকো কখনো তাদের আধিবাসীদের উপর ট্যাক্স ধার্য করে না।
Sponsored Links by Taboola