Monsoon Care Tips: বর্ষার মরশুমে সংক্রমণ থেকে দূরে থাকুন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভরসা থাকুক ঘরোয়া টোটকায়

প্রতীকী ছবি, ছবি সূত্র- পিক্সেলস
বর্ষাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য আমাদের কয়েকটি ইমিউনিটি বুস্টার ড্রিঙ্ক বা পানীয় পান করা উচিত। এক্ষেত্রে লবঙ্গ এবং দারচিনি দিয়ে চা খেতে পারেন। এর ফলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
বর্ষার মরশুমে সর্দি, কাশির সমস্যা, বিভিন্ন সংক্রমণ প্রায় সকলেরই অল্পবেশি হয়ে থাকে। খুশখুশে কাশির সমস্যা কমাতে খেতে পারেন গোলমরিচ। গোটা গোলমরিচ খেতে পারলে সবচেয়ে ভাল। ঝাঁঝ সহ্য করতে না পারলে হাল্কা থেঁতো করে নিয়ে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। উপকার পাবেন।
হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপকরণ। আর তাই বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে আপনাকে দূরে রাখে হলুদ। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপকরণও রয়েছে হলুদের মধ্যে। গরম দুধের মধ্যে হলুদ মিশিয়ে খেতে পারলে বা সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি পাওয়ার বৃদ্ধি পাবে।
লেবুর মধ্যে রয়েছে ভিটামি সি। আর আদা সর্দি কাশি কমাতে দারুণ ভাবে কাজে লাগে। তাই বর্ষার মরশুমে ইমিউনিটি বুস্টার হিসেবে লেবু এবং আদার রস গরম জল বা চায়ের মধ্যে মিশিয়ে খেতে পারেন।
গরম জলের মধ্যে লেবুর রস মিশিয়েও খেতে পারেন। এই পানীয় শুধু ইমিউনিটি বাড়ায় না, কমায় অতিরিক্ত ওজন। এছাড়াও দূর করে অ্যাসিডিটি এবং বদহজমের সমস্যা।
সর্দি, কাশি কমাতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। আর বর্ষার দিনে সর্দি, কাশি প্রায় সকলের ঘরেই লেগে থাকে। অতএব মধু গরম জল বা চায়ে মিশিয়ে খেতে পারেন। কিংবা এমনিও খেতে পারেন মধু। উপকার পাবেন।
বর্ষার মরশুমে সর্দি কাশির সমস্যায় চা খেলে উপকার পাওয়া যায়, বলা ভাল আরাম বোধ হয়। সর্দি, কাশির সমস্যায় তুলসী পাতা দিয়ে চা খেলেও উপকার পাবেন আপনি।
যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে তাঁরা এই বর্ষার মরশুমে সকালে ঘুম থেকে উঠে হাল্কা গরম জল খাওয়ার অভ্যাস রাখুন। তার মধ্যে অল্প মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।
আলাদা, গোলমরিচ দিয়ে চা খেলেও সর্দি, কাশির সমস্যায় আরাম পাওয়া যায়। পাশাপাশি বাড়ে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। আর এই ধরনের চা বাড়িতে বানিয়েও নেওয়া যায় খুব সহজেই।
বর্ষাকালে শুধু যে সর্দি, কাশি বা সংক্রমণ হয় তা নয় একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগতে পারি আমরা। জল থেকে পেটের সমস্যা দেখা দেয় বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি। তাই এই ব্যাপারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।