Prostate Cancer: ঘন ঘন প্রস্রাব, সেই সময় এইরকম হওয়া মানেই গোলমাল! ক্যান্সারের চরম লক্ষণprostate cancer

পুরুষদের মধ্যে ক্যান্সারের ঘটনা বাড়ছে। লক্ষণগুলি উপেক্ষা করার কারণে এমনটা হয়। ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

Continues below advertisement

যদি ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, তাহলে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকতে পারে, পুরুষদের সতর্ক থাকা উচিত।

Continues below advertisement
1/7
প্রস্টেট গ্ল্যান্ড ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল প্রাথমিক পর্যায়ে এর লক্ষণগুলো স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। অনেক ক্ষেত্রে, কোনো অসুবিধা ছাড়াই রোগটি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এই কারণেই সামান্যতম সন্দেহ হলেই পরীক্ষা করানো জরুরি বলে মনে করা হয়।
2/7
বারবার প্রস্রাব পাওয়া, প্রস্রাবের বেগ সামলাতে না পারা, প্রস্রাব শুরু বা বন্ধ করতে সমস্যা হওয়া এর লক্ষণ। এমনে হতে পারে এটা প্রস্রাব শেষ হয়েও হল না। সাধারণত মানুষ বার্ধক্যজনিত সমস্যা হিসেবে মনে করে। কিন্তু আসলে এগুলো প্রোস্টেট ক্যান্সারের প্রাথমিক সতর্ক সংকেতও হতে পারে।
3/7
মূত্র বা শুক্রাণুর সঙ্গে রক্ত আসা আরেকটি গুরুতর লক্ষণ, যা কোনো অবস্থাতেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। অনেক পুরুষ এটিকে সাময়িক সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান, যেখানে এটি ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।
4/7
প্রায়শই প্রস্টেট বৃদ্ধি, ইউরিন ইনফেকশন এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণগুলি একই রকম মনে হয়। পার্থক্য হল, ইনফেকশনে জ্বালা, জ্বর বা দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব হয়।
5/7
কিছু লক্ষণ এমনও আছে যা সম্পূর্ণভাবে দৃষ্টির বাইরে চলে যায়। যেমন কোমর বা কোমরে একটানা ব্যথা, কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া বা একটানা ক্লান্তি। এই লক্ষণগুলো সাধারণত তখনই দেখা যায় যখন রোগ ছড়িয়ে পড়ে।
Continues below advertisement
6/7
প্রস্টেট ক্যান্সারের সঠিক কারণ এখনো সম্পূর্ণরূপে স্পষ্ট নয়, তবে বয়স, জিনগত কারণ এবং হরমোনের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, মদ্যপান এবং খারাপ জীবনযাত্রা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
7/7
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হল যে পুরুষদের ৫০ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত, এমনকি কোনো উপসর্গ না থাকলেও। পরিবারের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে, আরও আগে থেকে পরীক্ষা শুরু করা উচিত। সময় মতো পরীক্ষা এবং সতর্কতা এই ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
Sponsored Links by Taboola