Hair Care Tips: চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে এই পাঁচটি পুষ্টি উপকরণ, সেগুলি কী কী? কোন খাবারে থাকে?

Hair Care: চলুন জেনে নেওয়া যাক সারাবছর চুলে পুষ্টি জোগাতে কোন কোন উপাদানের উপর ভরসা করবেন আপনি।

ছবি সূত্র- পিক্সেলস

1/10
বায়োটিন- বায়োটিন হল ভিটামিন বি কমপ্লেক্স কম্পাউন্ড। এই উপকরণ আমাদের চুলে কেরাটিনের পরিমাণ সঠিকভাবে বজায় রাখতে বা ধরে রাখতে সাহায্য করে। কেরাটিনের সাহায্যে বজায় থাকে চুলের ইলাস্টিসিটি।
2/10
এছাড়াও কেরাটিনের সাহায্যে মজবুত হয় চুলের গঠন। চুল পড়ার সমস্যা কমে। চুলে উজ্জ্বলভাব এবং আর্দ্রতা বজায় থাকে। নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে এই বায়োটিন। মাছ, বিভিন্ন ধরনের বীজ, বাদাম, মিষ্টি আলু এইসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে বায়োটিন থাকে।
3/10
ভিটামিন ই- এই উপকরণ সার্বিকভাবে চুলের দেখভাল করতে সাহায্য করে। চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। ভিটামিন ই একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপকরণ যা চুলে অক্সিডেটিভ ড্যামেজ হতে দেয় না। শুধু তাই নয়, পুষ্টি জোগায় চুল এবং স্ক্যাল্পে।
4/10
চুলের গঠন ভাল করার পাশাপাশি ভিটামিন ই চুল পড়ার সমস্যাও কমায়। আমন্ড, পালং শাক, অ্যাভোকাডো, সূর্যমুখী ফুলের বীজ এইসব খাবারে ভিটামিন ই ভরপুর থাকে।
5/10
জিঙ্ক- এই মিনারেলসও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। চুল পড়ার সমস্যা কমায় জিঙ্ক। এছাড়াও হেয়ার ফলিকলের মুখগুলি খুলে দেয়। তার ফলে নতুন চুল গজাতে পারে সহজে এবং দ্রুত।
6/10
চুলের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে জিঙ্ক। এছাড়াও চুলের মধ্যে থাকে বিভিন্ন প্রোটিন যেগুলি চুলে ধরে রাখতে সাহায্য করে এই মিনারেলস। ডিম, কুমড়োর বীজ, চিংড়ি, ব্রাজিল নাট, কাঁকড়া এইসব খাবারে থাকে জিঙ্ক।
7/10
ভিটামিন সি- আপনার শরীরে আয়রনের অ্যাবসরপশন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ভিটামিন সি। এর ফলে বৃদ্ধি পায় কোলাজেনের উৎপাদন। হেয়ার ফলিকলগুলি সুদৃঢ় করতে এবং স্ক্যাপ্লের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে ভিটামিন সি।
8/10
লেবুজাতীয় বিভিন্ন ফল যেমন- কমলালেবু, এছাড়াও আঙুর, কালে (শাক), বেল পেপার এইসব খাবারে থাকে ভিটামিন সি। তাই চুলের সমস্যা থাকএল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
9/10
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড- স্ক্যাল্প হাইড্রেটেড রাখতে অর্থাৎ মাথার তালুর রুক্ষ, শুষ্ক ভাব দূর করতে এই উপকরণ সাহায্য করে। এছাড়াও ভাল রাখে চুলের টেক্সচার। অর্থাৎ চুল রুক্ষ, শুষ্ক থাকে না।
10/10
সার্বিকভাবে চুলকে ক্ষয়ের হাত রক্ষা করে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। বিভিন্ন ধরনের মাছ (স্যামন, সার্ডিন), অ্যাভোকাডো, আখরোট, ফ্ল্যাক্সসিড, সোয়াবিন এইসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে।
Sponsored Links by Taboola