Relationship Tips: ভালবাসার সংজ্ঞা পাল্টাতেই পারে, সম্পর্কে পরস্পরের প্রতি সম্মান হারালে কিন্তু চলবে না

Relationships: ছোট ছোট আশা, ভরসাই গড়ে দেয় ভবিষ্যৎ। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে ভালবাসার পাশাপাশি সমান জরুরি পারস্পরিক সম্পর্ক।

ছবি: পিক্সাবে।

1/10
সম্পর্কে ভালবাসার সংজ্ঞা পাল্টে যেতে পারে। কিন্তু পরস্পরের প্রতি সম্মান হারালে চলে না। পরস্পরকে সম্মান না করলে, মানসিক শান্তিও বিঘ্নিত হয়।
2/10
যত ঝড়-ঝাপটাই আসুক না কেন, শুধুমাত্র পারস্পরিক বোঝাপড়ায় ভর করে সবকিছুর মোকাবিলা করা যায়। সুতো ছিঁড়ে গেলেও সেই সম্মান বজায় থাকা জরুরি। এই সম্মান বজায় রাখার দায়ও আমাদের নিজেদেরই।
3/10
ভাল-খারাপ মিশিয়েই মানুষ। শুধু ভালটুকু গ্রহণ করব, বাকিটুকু ফেলে দেব, এমন মানসিকতা থাকলে চলে না। তাই ভাল কাজের জন্য, সামনের জনের প্রশংসা প্রাপ্য। এতে দুঃসময়েও আত্মবিশ্বাস বজায় থাকে।
4/10
একতরফা নিজের কথা বলে গেলে হয় না। সামনের জন কী বলতে চাইছেন, মন দিয়ে তা শোনাও জরুরি। শুধু হ্যাঁ, হুঁ-তে দায়সারা উত্তর দিলে চলে না, আপনি যে সামনের জনের কথা গুরুত্ব দিয় শুনছেন, তা বোঝাতে হবে। এতে সামনের জন জানতে পারেন, আপনার কাছে তাঁর গুরুত্ব রয়েছে বলে।
5/10
খোলসের মধ্যে ঢুকে থাকলেও, আমাদের প্রত্যেকেরই একটা মন রয়েছে। রয়েছে নিজ নিজ অনুভূতি। সে ক্ষেত্রে সামনের জনের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। বুঝতে হবে তাঁর আবেগকে। এতে আপনার কাছে নিরাপদ বোধ করবেন সামনের জন। নিঃসঙ্কোচে মনের কথা খুলে বলতে পারবেন।
6/10
সংসারের চাপে নিজের শখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিই আমরা। মন সায় না দিলেও, অপছন্দের কাজও মুখ বুজে করে যাই। সঙ্গী ছাড়া এই যন্ত্রণা আর কে বুঝবে! তাই পরস্পরকে লক্ষ্যে পৌঁছতে উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন।
7/10
মনের পাশাপাশি সম্পর্কে স্পর্শের গুরুত্ব অসীম। হাতের উপর কেউ হাত রাখলে, কাঁধের উপর ভরসার স্পর্শ পেলে একধাক্কায় চাঙ্গা হয়ে উঠি আমরা। পরস্পরকেই সে কথা মাথায় রাখতে হবে।
8/10
পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, মন খুলে কথা বলার মতো পরিবেশ থাকতে হবে। এতে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা গড়ে ওঠে। যাঁরা কাছে নিরাপদ বোধ হয়, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের বুননও হয় ততটাই নিরেট।
9/10
যতই বিগলিত প্রাণ হই না কেন আমরা, সম্পর্কে সীমানার গুরুত্বও অসীম। কাউকে ছাড়া হয়ত এক মুহূর্ত চলে না, কিন্তু কখনও কখনও তাঁর সঙ্গেও দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হয়। নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্যও সময়ের প্রয়োজন পড়ে। পরস্পরকেই বিষয়টি বুঝতে হবে।
10/10
সমাজে নারী-পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে, দায়দায়িত্বও সমান ভাবে দু’জনের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়া উচিত। এতে পারস্পরিক সহযোগিতা, বোঝাপড়াও টিকে থাকবে।
Sponsored Links by Taboola