Diet Tips : ভুল ডায়েটের ফলে কি স্ট্রোক হতে পারে? বাঁচার পথ দেখালেন নিউট্রিশনিস্ট
বর্তমানে প্রক্রিয়াজাত খাবার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। খাদ্যাভ্যাসের ভুলগুলি স্ট্রোকের কারণ হতে পারে। ওমেগা-3, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম জরুরি।
Continues below advertisement
ভুল ডায়েটের ফলে কি স্ট্রোক হতে পারে? বাঁচার পথ দেখালেন নিউট্রিশনিস্ট
Continues below advertisement
1/7
চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের অনেকেরই মতে, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেট করা খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের উপর ধীরে ধীরে অত্যন্ত খারাপ প্রভাব ফেলে । কোনও কোনও সময় নিয়মিত কিছু ভুল খাদ্যাভ্যাস স্ট্রোকের কারণ হতে পারে। শরীরের প্রয়োজন ওমেগা-3, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো উপাদান। এর অভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
2/7
ডোবা তেলে ভাজা খাবার, প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং বেকারি আইটেমগুলিতে থাকা ট্রান্স ফ্যাট এলডিএল বাড়ায়। এর ফলে ধমনীতে ব্লকেজ হতে পারে। এছাড়াও মিষ্টি পানীয়, সাদা রুটি এবং পেস্ট্রির মতো জিনিসগুলি ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ধমনীতে ব্লকেজ তৈরি করে। এছাড়াও, প্যাক করা স্ন্যাকস, আচার এবং সসেজে থাকা সোডিয়ামও রক্তচাপ বাড়ায়, যা স্ট্রোকের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হিসাবে বিবেচিত হয়।
3/7
পুষ্টিবিদদের মতে, স্ট্রোক থেকে বাঁচতে পরিমিত পরিমাণে নুন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়াও, সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়েটে নারকেল জল, ডাল এবং পালং শাকের মতো জিনিস অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়।
4/7
পরিশোধিত তেলের পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেন অনেক পুষ্টিবিদ। আবার কারও কারও মতে, কোনও তেলই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়। ডায়েটে তেলের ব্যবহার যতটা কম করা যায়, ততই ভাল। বরং ডায়েটে থাকুক উপকারী ফ্যাট। প্রতিদিন দুটি আখরোট, সামান্য ফ্ল্যাক্সসিড এবং চিয়া বীজ খাওয়া শরীর ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের জোগান দেয়।
5/7
এছাড়াও স্ট্রোক এড়াতে বিশেষজ্ঞরা অ্যালকোহল সেবন সীমিত করার পরামর্শ দেন এবং বেশি জল খাওয়ার জন্য বলেন। যাতে শরীরে টক্সিন জমা না হয় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
Continues below advertisement
6/7
এছাড়াও স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো যেতে পারে। এর জন্য প্রতিদিনের খাবারে ফল, সবজি, বীজ এবং শুকনো ফল অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে হৃদপিণ্ড এবং মস্তিষ্ক উভয়ই সুস্থ থাকে।
7/7
এছাড়াও, ডাক্তাররা পরামর্শ দেন যে বেশি খাওয়া উচিত নয়। বারে বারে একটু একটু করে খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে শরীরে চাপ বাড়তে পারে যা হৃদরোগ এবং মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর।
Published at : 07 Nov 2025 05:21 PM (IST)