Solar Storm: সূর্যের কাছাকাছি পৃথিবী, সৌরঝড়ে বিঘ্ন ঘটতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহে, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতেও প্রভাব!
Space Science: সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম অবস্থানে পৌঁছে গিয়েছে পৃথিবী। একই সময়ে নেমে আসছে সৌরঝড়।
ছবি: নাসা এবং পিক্সাবে।
1/10
২০২২ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সম্পূর্ণ হয়েছে বৃত্ত। তবে গতি থেমে নেই পৃথিবীর। কক্ষপথ ধরে গুটি গুটি পায়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করেই চলেছে।
2/10
এই মুহূর্তে সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম দূরত্বে রয়েছে পৃথিবী। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতেই তার আঁচ এসে পড়তে পারে পৃথিবীতে। তার জেরে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। ঘেঁটে যেতে পারে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি। এমনকি নরওয়ে থেকে রঙিন আলোর ছটা সরে যেতে পারে দক্ষিণেও।
3/10
ন্যাশনাল ওশিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অধীনস্থ স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে। জানিয়েছে, এ বছর সৌরঝড়ের আঁচ এসে পড়বে পৃথিবীতে। তবে তার জন্য ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনও আশঙ্কা নেই।
4/10
৪ জানুয়ারি সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম দূরত্বে ছিল পৃথিবী। আগামী দিনেও দূরত্বের এই ওঠাপড়া অব্যাহত থাকবে। দূরত্ব ঘোরাফেরা করবে ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ থেকে ৪৮ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে।
5/10
কিন্তু ৪ এবং ৫ জানুয়ারি সূর্য থেকে উৎসারিত সৌরকণার ঢেউ পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে এসে আঘাত হানবে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় সূর্য থেকে উৎসারিত এই উষ্ণ ঢেউকে বলা হয় করোনাল মাস ইজেকশন।
6/10
সৌরঝড়কে তীব্রতা অনুযায়ী বেশ কয়েকটি স্তরে ভাগ করেন বিজ্ঞানীরা। যেমন, G1, G2, G3, G4, G5. এর মধ্যে G1 সবচেয়ে দুর্বল। সেই সৌরঝড়ই পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা।
7/10
সম্পূর্ণ বৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে না পৃথিবী। বরং কক্ষপথের আকার ডিম্বাকার। ফলে বছরের কিছু সময় সূর্য এবং পৃথিবীর দূরত্ব কমতে-বাড়তে থাকে।
8/10
সূর্যের দিকে পৃথিবী কতটা হেলে থাকে, তার উপরও এই দূরত্বের কমা-বাড়া নির্ভর করে। তবে এ বছর একই সঙ্গে পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে দূরত্ব কমা এবং সৌরঝড়- ঘটা, দুই ঘটনা নেহাতই কাকতালীয়।
9/10
তবে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে গন্ডগোল ছাড়া সাধারণ মানুষের জীবনে তেমন কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে মধ্যরাতে সূর্য ওঠে যে দেশগুলিতে, সেখানে আকাশে যে রঙিন আলোর ছটা দেখা যায়, তা কিছুটা দক্ষিণে সরে আসতে পারে।
10/10
সৌরঝড়ের জেরেই ইলেকট্রন, প্রোটোন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের থাকা বিভিন্ন গ্যাসের সংস্পর্শে এসে রঙিন স্ফূলিঙ্গের সৃষ্টি করে। একসঙ্গে কোটি কোটি কণা বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে এসে জ্বলে উঠলে তাতেই রঙিন আলোর পরশ দেখা যায় আকাশে, যা এদিক ওদিক ছুটেও বেড়াও।
Published at : 05 Jan 2023 07:22 PM (IST)