Mount Erebus Volcano Disaster: সটান আগ্নেয়গিরির গায়ে ধাক্কা যাত্রীভর্তি বিমানের, আন্টার্কটিকার বুকে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা, ভয়াবহ স্মৃতি

Plane Crashed into Volcano: নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনা। আজও শিউরে ওঠেন সকলে। ছবি: AI দিয়ে তৈরি, ফাইল চিত্র।

Continues below advertisement

ছবি: AI দিয়ে তৈরি।

Continues below advertisement
1/10
যাত্রীভর্তি বিমান সটান ধাক্কা মারে আগ্নেয়গিরির গায়ে। নয় নয় করে ৪৬ বছর পেরিয়ে গেলেও, আজও সেই ভয়াবহ ঘটনা ভুলতে পারেননি কেউ।
2/10
১৯৭৯ সালের ২৮ নভেম্বর নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটে। আজও স্মৃতিচারণ করে শিউরে ওঠেন সকলে।
3/10
Air New Zealand-এর Flight TE901 আছড়ে পড়ে আন্টার্কটিকার সবচেয়ে উচ্চতম, সক্রিয় আগ্নেয়াগিরি মাউন্ট এরেবাসের উপর আছড়ে পড়ে। Flight TE901 বিমানটি পর্যটনের জন্য ব্যবহৃত হতো। দুর্ঘটনার দু’বছর আগে থেকে পরিষেবা শুরু হয়।
4/10
আকাশপথে, ১১ ঘণ্টার মধ্যে অকল্যান্ড থেকে আন্টার্কটিকা ঘুরে দেখে আসার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। বিমানের অন্দরসজ্জাও ছিল নজরকাড়া। আরাম, বিলাসিতার ব্যবস্থা ছিল যথেষ্ট।
5/10
ফলে ব্যবসায় খরা ছিল না একেবারেই। ১৯৭৯ সালের ২৮ নভেম্বরও ২৫৭ জন যাত্রীকে নিয়ে আকাশে উড়ছিল বিমানটি। কাছ থেকে যাতে আন্টার্কটিকার দর্শন মেলে, পাইলট জিম কলিন্স বিমানটিকে ২০০০ ফুচ নীচুতে নামিয়ে আনেন। আর তাতেই বিপর্যয় নেমে আসে।
Continues below advertisement
6/10
দুপুর ১টা নাগাদ বিমানের প্রক্সিমিটি অ্যালার্ম বন্ধ হয়ে যায়। এর পর মাত্র ছ’সেকেন্ডেই শেষ হয়ে যায় সব। সটান মাউন্ট এরেবাসের জ্বালামুখের পাশে, নীচের অংশে ধাক্কা মারে বিমানটি।
7/10
আকাশ থেকে নিখোঁজ হয়ে গেলে বিমানটির খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। মাউন্ট এরেবাসের নীচের দিকে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয় শেষ পর্যন্ত। বিমানে সওয়ার একজন যাত্রীও জীবিত ছিলেন না।
8/10
তদন্তে দুর্ঘটনার দু’টি নেপথ্যকারণ উঠে আসে, ১) পাইলটদের যে রুট বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা বিমানের কম্পিউটারের সঙ্গে মেলেনি, ২) আবহাওয়াজনিত কারণ, Whiteout-ই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। আন্টার্কটিকার তুষারাবৃত ভূমি এবং এবং আকাশের শ্বেতশুভ্র মেঘের মাঝে যে আলোকিত অংশ বিভ্রম জাগিয়ে তোলে চোখে। রাস্তা পরিষ্কার বলে মনে হয় পাইলটদের। ফলে সামনে পর্বত রয়েছে বলে বুঝতে পারেননি পাইলটরা।
9/10
বিমানের ২২৭ জন যাত্রী এবং ৩০ জন কর্মীর মধ্যে ৪৪ জনকে শনাক্তই করা যায়নি। সেই সময় নিউজিল্যান্ডের জনসংখ্যা ছিল ৩০ লক্ষ। নিহতদের সঙ্গে কোনও না কোনও ভাবে ওই দুর্ঘটনার যোগসূত্র বেরিয়ে আসে।
10/10
যে সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে, সবে নিজের ডালপালা মেলতে শুরু করছিল নিউজিল্যান্ড। অর্থনৈতিক ভাবে, প্রযুক্তির দিক থেকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল। আকাশপথে আন্টার্কটিকা সফরের যে পর্যটন প্রকল্প চালু হয়েছিল, তাও যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। ফলে ওই দুর্ঘটনায় দেশটির ভাবমূর্তিও জোর ধাক্কা খায়।
Sponsored Links by Taboola