PM Modi in Japan : G7 সম্মেলনে যোগ দিতে জাপানে প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য

ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, G7 সম্মেলনে যোগ দিতে হিরোশিমা পৌঁছেছি। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করব।

জাপানে প্রধানমন্ত্রী

1/10
G7 সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজই হিরোশিমায় পা রাখেন তিনি। সম্মেলেন অতিথি দেশ হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতকে।
2/10
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা-র আমন্ত্রণে G7 সম্মেলনে যোগ দিতে গেছেন তিনি। জাপান এবারের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবে।
3/10
ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, G7 সম্মেলনে যোগ দিতে হিরোশিমা পৌঁছেছি। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করব।
4/10
২০০৩ সাল থেকে G7 সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে ভারত। এদিন এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ওঠে, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে। রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব ঠেকাতে ভারত কি মধ্যস্থকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে ? সে প্রশ্নও ওঠে।
5/10
প্রধানমন্ত্রী জাপানো পৌঁছলে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন সেখানে বসবাসরত ভারতীয়রা। হিরোশিমায় শেরাটন হোটেলের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায় তাঁদের।
6/10
হোটেল-চত্বরে পৌঁছে তিনি ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। অনেকের সঙ্গে হাত মেলান প্রধানমন্ত্রী।
7/10
কেউ কেউ সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলতে উৎসুক হয়ে পড়েন। সঙ্গে সেলফিও নেন।
8/10
এদিকে জাপানো পৌঁছে এশিয়ার অন্যতম স্বতন্ত্র বিজনেস মিডিয়া গ্রুপ Nikkei-কে সাক্ষাৎকার দেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানে G7 সম্মেলনের আগে তাদেরকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী মোদির সাক্ষাৎকারে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক ইস্যু উঠে আসে।
9/10
তার মধ্যে ছিল পাকিস্তান-প্রসঙ্গ। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে "স্বাভাবিক ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায় ভারত। কিন্তু, সন্ত্রাসবাদমুক্ত একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা ইসলামাবাদের দায়িত্ব।" স্পষ্ট জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
10/10
ওঠে চিনের সঙ্গে সম্পর্কের কথাও। সে প্রসঙ্গে মোদি বলেন, "ভারত নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষা করতে প্রস্তুত এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গ্রীষ্মে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিনের সঙ্গে ভারতের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বলেন, চিনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি এবং স্থিতাবস্থা প্রয়োজন। পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক সংবেদনশীলতা ও পারস্পরিক স্বার্থের উপর ভিত্তি করে ভারত-চিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
Sponsored Links by Taboola