Republic of Ireland: এক নয়, আয়ারল্যান্ড আসলে দু’টি পৃথক দেশ, নেপথ্যে রক্তক্ষয়ী ইতিহাস

ছবি: পিক্সাবে।
একটি ভূখণ্ড ভেঙে তৈরি হয়েছে দু’টি দেশ, যা বর্তমানে উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া নামে পরিচিত। কিন্তু একটি দেশ হিসেবে গোটা বিশ্বে পরিচিত হলেও, আসলে কিন্তু আয়ারল্যান্ড দু’টি পৃথক দেশ। ছবি: পিক্সাবে।
মানচিত্রে আলাদা করে ব্যাখ্যা না থাকলেও, আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি অন্তত তা-ই বলছে। রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ড একদিকে স্বতন্ত্র একটি দেশ। অন্য দিকে, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড সংযুক্ত ব্রিটেনের অংশ। ছবি: পিক্সাবে।
ব্রিটিশ শাসনের নাগপাশ থেকে মুক্ত হতে, দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামে শামিল থেকেছে রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ড। গৃহযুদ্ধে নাস্তানাবুদ হয়ে ১৯২০ সালে আইল্যান্ড অফ আয়ারল্যান্ডকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয় তৎকালীন ব্রিটিশ শাসক। তবে গৃহযুদ্ধেই প্রায় ৪০০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ছবি: পিক্সাবে।
এর পর, ১৯২২ সালে স্বাধীন আয়ারল্যান্ড রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাশাপাশি নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড সংযুক্ত ব্রিটেনে অন্তর্ভুক্ত থেকেই স্বতন্ত্র শাসনব্যবস্থা গ্রহণ করে। -ফাইল চিত্র।
স্বাধীন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী হিসেবে ডাবলিনকে বেছে নেওয়া হয়। ১৯৩৭ সালে সংবিধানে দেশের নয়া নাম রাখা হয় Eire অর্থাৎ আয়ারল্যান্ড। ব্রিটিশ কমওয়েল্থ ছেড়ে বেরিয়ে আসার পর ১৯৪৯ সালে প্রজাতন্ত্র শব্দটি নামের আগে জুড়ে নেয় আয়ারল্যান্ড। ছবি: পিক্সাবে।
আয়ারল্যান্ডের নাগরিকবৃন্দ মূলত ক্যাথলিক। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে আবার ক্যাথলিকরা সংখ্যালঘু। প্রোটেস্ট্যান্টরা সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ। গোড়া থেকেই সেই নিয়ে ঝামেলা। -ফাইল চিত্র।
১৯৬৯ সালে হিংসা, অশান্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, ব্রিটেনকে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে সেনা নামাতে হয়। এর তিন বছর পর পর পর সন্ত্রাস হামলার জেরে ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ শাসন কায়েম হয় নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে। ছবি: ফ্রিপিক।
১৯৮৫ সালে অ্যাংলো-আইরিশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার আওতায় নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের শাসনব্যবস্থায় পরামর্শদাতা হিসেবে নিযুক্ত করা হয় রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ডকে।১৯৯৩ সালে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ড এবং ব্রিটেনের মধ্যে। ছবি: পিক্সাবে।
১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ড, সংযুক্ত ব্রিটেন এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ইউরোপিয়ান কমিউনিটিতে যোগদান করেছিল। ১৯৯৩ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নিয়নে শামিল করা হয় তাদের। ছবি: ফ্রিপিক।
২০১৬ সালে গণভোটের মাধ্যমে ব্রিটেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ছেড়ে বেরিয়ে আসার ঘোষণা করে, যা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত। যদিও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড এখনও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য। ছবি: পিক্সাবে।