Offbeat News: চিংড়ির ঘুষিতে কুপোকাত হতে পারে মানুষও! এই প্রাণীটি রেগে গেলেই বিপদ

চিংড়ির ঘুষিতে 'হাতুড়ির' জোর! অবাক করা ঘটনা
অবাক শোনালেও এমন ঘটনা কোনও কাল্পনিক গল্প নয়। চিংড়ির গায়ে ঠিক এতটাই জোর। যাতে কুপোকাত হতে পারে যেকোনও মানুষ।
তবে যে চিংড়ি আমরা খেয়ে থাকি সেই গলদা, বাগদা কিংবা কুচো চিংড়ি নয়। ম্যান্টিস চিংড়ির প্রজাতির এই ক্ষমতা রয়েছে। প্রায় ৫০ মাইল বেগে তারা এমন আক্রমণ শানাতে পারে।
সেই ঘুষির জোর প্রায় ২২ ক্যালিবার বন্দুকের থেকে বুলেটের গতি যেমন হবে, তেমনই। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন সামুদ্রিক কাঁকড়া কিংবা শামুকের খোলকে অনায়াসে ভেঙে চুরমার করতে পারে এই শামুকের ঘুসি।
এমনকি এই ম্যান্টিস চিংড়িকে কোনও অ্যাকোয়ারিয়ামে রাখা যায় না তাই। এক ঘুষিতে কাঁচও ফাটিয়ে দিতে পারে, এতটাই শক্তি এর।
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এবং ডিউক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা সম্প্রতি একটি ছোট রোবট তৈরি করে সেখানে ম্যান্টিস চিংড়ির এই ঘুষির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্প্রিং-লোডেড ল্যাচ মেকানিজম তৈরি করেছেন।
যদিও গবেষকরা বলেছেন তাঁরা ম্যান্টিসের গতি কিংবা ক্ষমতার সঙ্গে মেলাতে পারেননি। গবেষণার সহ-লেখক হার্ভার্ডের স্নাতক শিক্ষার্থী এমা স্টেইনহার্ড জানিয়েছেন, এখানেও প্রকৃতিই জিতেছে। প্রকৃতির কিছু জিনিস আছে যা আমরা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে করতে পারি না।
তিনি এও বলেন ম্যান্টিস চিংড়ি যত দ্রুত এ কাজ করতে পারে তা কৃত্রিমভাবে এখনও বানানো যায়নি। যতদ্রুত গতিতে লাফ এবং ঘুষি ছোড়ে এই প্রাণী তা এখনও তাঁর নিজস্ব ক্ষমতা। তাই চিংড়ি বলে হেয় করা যাবে না এই প্রাণীটিকে।