Medical Science: জটিল রোগে অন্ধকার দেখছিলেন, চোখে দাঁত বসাতেই ফুটল আলো, দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেলেন মহিলা

Tooth in Eye Surgery: একদশক পর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেলেন মহিলা। তাও দাঁতের দৌলতে। ছবি: ফ্রিপিক।

ছবি: ফ্রিপিক।

1/10
একদশক আগে অটো ইমিউন রোগ কাবু করে ফেলেছিল শরীরকে। দৃষ্টিশক্তি চলে গিয়ে অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিলেন। চোখ মেলে ফের দেখার সুযোগ পেলেন মহিলা। দাঁতের দৌলতেই চোখের দৃষ্টি ফিরল তাঁর।
2/10
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও, কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় দাঁতের দৌলতেই দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেলেন ৭৫ বছর বয়সি এক মহিলা। ওই মহিলার নাম গেইল লেন। অটো ইমিউন রোগে তাঁর চোখের তারার স্বচ্ছ আচ্ছাদনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
3/10
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি বিরল অস্ত্রোপচার হয় গেইলের শরীরে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় Osteo-Odonto Keratoprosthesis (OOKP).
4/10
মোট দুই ধাপে ওই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়, যাকে ‘Tooth-in Eye’ বলা হয়। এর মাধ্য়মে গেইলের চোখে কৃত্রিম তারার প্রতিস্থাপন করা হয়। এই কৃত্রিম তারাটি তৈরি করা হয় রোগীর দাঁতের টুকরো দিয়ে।
5/10
ওই দাঁতের অংশ কেটে নিয়ে ঘষে মসৃণ করা হয়। এর পর মাঝে একটি ফুটো করা হয়, যার মধ্যে কৃত্রিম লেন্স বসানো যায়। এর পর সেটি রোগীর গালের ভিতর বসিয়ে দেন চিকিৎসক।
6/10
প্রায় তিন মাস ধরে এভাবেই কোষের সঙ্গে সেটির পরিচয় ঘটানো হয়। দেখা হয়, শরীর ওই কৃত্রিম জিনিস গ্রহণ করছে কি না। এর পর গাল থেকে সেটিকে অক্ষিকোটরে প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসেরা।
7/10
ফেব্রুয়ারি মাসে ওই অস্ত্রোপচারের পর থেকে একটু একটু করে রং বুঝতে পারছিলেন গেইল। ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয় সবকিছু। স্বামী ও পোষ্যর দর্শন পান গেইল।
8/10
সংবাদমাধ্যমে গেইল বলেন, “রং দেখতে পাচ্ছি। বাইরে যেতে পারছি, দেখতে পাচ্ছি সবকিছু। গাছ, ঘাস, ফুল, বাকি নেই কিছু। আবারও চোখ মেলে তাকাতে পেরে যে কী অনুভূতি হচ্ছে, বলে বোঝাতে পারব না।”
9/10
আজ থেকে ৪০ বছর আগে ইতালিতে প্রথম এই পদ্ধতিতে দৃষ্টিহীনদের চোখে আলো ফোটানোর কাজ শুরু হয়। দাঁতের শিকড়ের অংশ এবং চোয়ালের হাড়কে বেছে নেওয়া হয় তার জন্য।
10/10
চোখের মণির চিকিৎসার একেবারে শেষ ধাপ এটি। আপাতত এর চেয়ে বড় কিছু নেই। অস্ত্রোপচারের ছ’মাস পর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেলেন গেইল। এখনও পর্যন্ত নিজের মুখ দেখেননি তিনি। তাঁর চশমা তৈরি হচ্ছে।
Sponsored Links by Taboola