Science News: আন্টার্কটিকার নীচে সারি সারি পাহাড়-পর্বত, উপত্যকা, গিরিখাত…প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে চাপা পড়ে
Hidden World Beneath Antarctica: আন্টার্কটিকার নীচে কী রয়েছে? চমকপ্রদ তথ্য উঠে এল গবেষণায়। ছবি: AI দিয়ে তৈরি, ফ্রিপিক।

ছবি: AI দিয়ে তৈরি, ফ্রিপিক।
1/11
আন্টার্কটিকার নীচে চাপা পড়ে থাকা অন্য দুনিয়ার খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। বরফের চাদরের নীচে হ্রদ, উপত্যকা, নদী অববাহিকা, এমনকি পর্বতও রয়েছে বলে জানা গেল।
2/11
আন্টার্কটিকার উপর বরফের চাদর প্রায় ৫৪ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। তার নীচে চাপা পড়ে থাকা অন্য জগতের একটি মানচিত্রও তৈরি করা গিয়েছে।
3/11
গত ১৫ জানুয়ারি Science জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এ নিয়ে বিশদ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা একটি মানচিত্রও তুলে ধরেছেন।
4/11
ওই মানচিত্র অনুযায়ী, আন্টার্কটিকায় বরফের চাদরের নীচে, একেবারে গভীরে নদী অববাহিকা রয়েছে, যা কয়েকশো মাইল জুড়ে বিস্তৃত। প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই আন্টার্কটিকার নীচে ওই অন্য দুনিয়া চাপা পড়ে রয়েছে।
5/11
মানচিত্রে উচ্চ এবং নিম্নভূমির মধ্যে স্পষ্ট পরিবর্তনও ধরা গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, সেটি আসলে টেকটোনিক পাতের সীমানা। আন্টার্কটিকার নীচে নদী উপত্যকা রয়েছে বলে এর আগেও ইঙ্গিত মিলেছিল। নতুন মানচিত্র অনুযায়ী, সেটি আসলে গভীর উপত্যকা।
6/11
Ice Perturbation Analysis পদ্ধতি অবলম্বন করে আন্টার্কটিকার নীচে লুকিয়ে থাকা দুনিয়ার খোঁজ মিলেছে। এর জন্য উচ্চমানের স্যাটেলাইট ইমেজ, স্যাটেলাইট সেন্সর ব্যবহার করা হয় যেমন, তেমনই বরফের আস্তরণের ঘনত্ব বিচার করা হয়, পর্যবেক্ষণ করা হয় তার গতিপথ। আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণকে বিশালাকার X-ray-তে পরিণত করা হয় কার্যত, যার দরুণই গভীরে লুকিয়ে থাকা দুনিয়ার মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
7/11
আর তাতেই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। আন্টার্কটিকার বরফের চাদরের নীচে প্রায় ৭২ হাজার পাহাড়-পর্বত, বহুদূর বিস্তৃত উপত্যকা, খাড়া পর্বতশৃঙ্গেরও খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গিরিখাতও আন্টার্কটিকার নীচে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে গবেষণাপত্রে।
8/11
আন্টার্কটিকার নীচে কী রয়েছে, তা জেনে মানুষের কী লাভ, এই প্রশ্ন উঠতেই পারে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের দাবি, দক্ষিণ মেরুর ধারেকাছে না পৌঁছতে পারলেও, আন্টার্কটিকার উপর গোটা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
9/11
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণই গোটা পৃথিূবীর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে। সেখানে শুধুমাত্র বিপুল পরিমাণ বিশুদ্ধ জলই মজুত নেই, সেখানকার মাটি থেকে যে পরিমাণ সূর্যালোক মহাকাশে প্রতিফলিত হয়, তাতে পৃথিবী ঠান্ডা থাকে।
10/11
জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে আন্টার্কটিকার বরফ গলতে শুরু করলে গোটা পৃথিবীতে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। সমুদ্রের জলস্তর বাড়তে শুরু করলে সবার আগে উপকূলীয় শহরগুলি তলিয়ে যাবে।
11/11
তাই আন্টার্কটিকার ভূ-প্রকৃতি বোঝা অত্যন্ত জরুরি। কারণ তাতেই বোঝা যাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে কত দ্রুত আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণ গলতে পারে। মাটির গঠন অনুয়ায়ী, বরফ কোন পথে সাগরে এসে পড়বে, তাও বোঝা যাবে।
Published at : 27 Jan 2026 02:22 PM (IST)