Venetia Burney: পাতালপুরীর দেবতার মতো অন্ধকারে বিরাজ, ১১ বছরের ছোট্ট মেয়ের পছন্দ অনুসারেই নামকরণ প্লুটোর
How Pluto was Named: গ্রহ বলে গণ্য হয় না আর। তাও প্লুটোকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। ছবি: ফ্রিপিক, পিক্সাবে, NASA.
Continues below advertisement
ছবি: ফ্রিপিক, পিক্সাবে, NASA.
Continues below advertisement
1/11
গ্রহ বলে গণ্য হয় না আর। কিন্তু বামনগ্রহ প্লুটোকে নিয়ে কৌতূহল কম নয়। কিন্তু একরত্তি এক মেয়ে যে প্লুটোর নামকরণ করেছিল, তা জানেন কি?
2/11
১৯৩০ সালের ১৪ মার্চ ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে পরিবারের সকলের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট টেবিলে বসে ছিল ১১ বছর বয়সি ভেনেশিয়া বার্নি। নয়া আবিষ্কৃত গ্রহ নিয়ে আলোচনায় মত্ত ছিলেন সকলে।
3/11
ভেনেশিয়ার দাদু ফ্যালকনার মেডান ছিলেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির Bodleian Library-র অবসরপ্রাপ্ত লাইব্রেরিয়ান। নয়া আবিষ্কৃত গ্রহটির নাম কী রাখা হতে পারে, সেই নিয়ে আলোচনায় যোগ দেন ফ্যালকনারও।
4/11
বড়দের কথোপকথনের মধ্যে ছোট্ট ভেনেশিয়া বলে ওঠে, “আমার মানে হয় প্লুটো নামটা ভাল।” ছোট্ট মেয়ের কথায় চমকে উঠলেও, নামটি পছন্দ হয় বাকিদের
5/11
জানা যায়, ছোট্ট থেকে রোম ও গ্রিসের পৌরাণিক কাহিনি পড়তে ভালবাসত ছোট্ট ভেনেশিয়া। আবার সৌরজগতের ঘটনাবলীও তাকে ভাবিয়ে তুলত।
Continues below advertisement
6/11
রোমের পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, পাতালপুরীর দেবতার নাম ছিল প্লুটো। ইচ্ছেমতো অদৃশ্য হয়ে যেতে পারতেন তিনি। সূর্যের আলো যেখানে পৌঁছয় না, সেই ঘোর অন্ধকারে বাস করতেন।
7/11
সূর্য থেকে বহু দূরে অবস্থিত প্লুটোর সঙ্গে রোমের পাতালপুরীর দেবতার মিল খুঁজে পায় ছোট্ট ভেনেশিয়া। পাতালপুরীর দেবতা প্লুটোর মতো, গ্রহ প্লুটোও সূর্য থেকে বহু দূরে, অন্ধকারে, নিঃসঙ্গ বলে মনে হয় তার।
8/11
ভেনেশিয়ার সুপারিশ পছন্দ হয় তাঁর দাদু ফ্যালকনেরও। নিজের বন্ধু হার্বার্ট হল টার্নারকে ফোন করেন তিনি। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে জ্যোতির্বিজ্ঞান পড়াতেন হার্বার্ট। ঘটনার সময় তিনি লন্ডনে ছিলেন। নয়া আবিষ্কৃত গ্রহের নাম নিয়ে চর্চা চলছিল সেখানেও। কিন্তু ভেবেচিন্তে ভাল নাম বের করা যাচ্ছিল না কিছুতেই।
9/11
এর পরই ভেনেশিয়ার সুপারিশ করা প্লুটো নামটি Lowell Observatory-তে পাঠিয়ে দেন হার্বার্ট। Lowell Observatory-তে সেইসময় Minerva, Zeus, Atlas, Persephone, এই নামগুলি নিয়ে চর্চা চলছিল। কিন্তু প্লুটো নামটি শুনেই ভাল লেগে যায় সকলের।
10/11
নামটি ভাল লাগার পিছনে আরও একটি কারণ ছিল। নতুন গ্রহটি আবিষ্কারে বড় ভূমিকা ছিল Percival Lowell-এর। তাঁর নাম ও পদবীর প্রথম অক্ষর ধরলে প্লুটোর প্রথম দুই অক্ষরের সঙ্গে মিলে যাচ্ছিল। প্লুটোর সন্ধান মেলার ১৪ বছর আগে মারা যান Percival. তাই প্লুটো নামটিতেই সিলমোহর পড়ে
11/11
আর তাতেই ইতিহাসের পাতায় নাম উঠে যায় ভেনেশিয়ার। তবে ভেনেশিয়ার আগে, তার পরিবারের আর এক সদস্য, ইটন হেনরি মেডান ১৮৭৭ সালে মঙ্গলগ্রহের দুই বামন উপগ্রহ ডিমোস এবং ফোবোসের নামকরণ করেন। তবে ছোট্ট বয়সে সাতপাঁচ না ভেবেই প্লুটো নামটি মুখে এসে গিয়েছিল বলে পরবর্তীতে জানান ভেনেশিয়া। সেই সময় দাদুর কাছ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ৫ পাউন্ড পেয়েছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে ৯০ বছর বয়েসে মারা যান ভেনেশিয়া। তার তিন বছর আগেই গ্রহের তকমা হারায় প্লুটো।
Published at : 14 Jan 2026 02:21 PM (IST)