Ocean Colour: সবুজ থেকে নীল রং ধারণ, আগামীতে বেগুনি হয়ে যেতে পারে সাগর-মহাসাগর
Science News: বাকি সবকিছুর মতো সাগর-মহাসাগরের রংও পরিবর্তনশীল। জানালেন বিজ্ঞানীরা। ছবি: ফ্রিপিক।
ছবি: ফ্রিপিক।
1/10
চিরকাল কিছুই এক থাকে না। সময়ের মতো সবকিছুই পরিবর্তনশীল। একই ভাবে কথা প্রযোজ্য পৃথিবীর বুক চিরে বয়ে যাওয়া সাগর-মহাসাগরের ক্ষেত্রেও।
2/10
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গোড়া থেকেই সমুদ্রের জল নীল ছিল না। বরং একেবারে গোড়ার দিকে সমুদ্রের রং ছিল সবুজ। এখন নীল জল চোখে পড়লেও, আগামীতেও সাগর-মহাসাগরের রং পাল্টে যাবে বলে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
3/10
সাগর-মহাসাগরে জলের রং নির্ধারণের জন্য রসায়ন এবং সালোকসংশ্লেষের বিবর্তনকেই দায়ী করছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ৩৮০ থেকে ১৮০ কোটি হছর আগে সাগর-মহাসাগরের রং ছিল উজ্জ্বল সবুজ।
4/10
সেই সময় মহাসাগর এবং বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ছিল না। কিন্তু বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে পড়ে পাথর থেকে জলে মেশে আয়রন। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত পদার্থ এবং অন্য রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসে সেই আয়রন, যা থেকে অণুজীব জন্ম নেয় জলে।
5/10
Cyanobacteria বা Blue-Green Algae নামক শ্যাওলাকেই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া প্রথম প্রাণ হিসেবে চিহ্নিত করেন বিজ্ঞানীরা। তাদের থেকেই অক্সিজেনের প্রাচুর্যে ভরে ওঠে পৃথিবী। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ওই শ্যাওলা যখন প্রথম সালোকসংশ্লেষ ঘটায়, সরাসরি সূর্যের শক্তিকে কাজে লাগায় তারা, বাতাসে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
6/10
ওই অক্সিজেনই ধীরে ধীরে বায়ুমণ্ডলে জমা হয় এবং পৃথিবীর পরিবেশকে পাল্টে দেয়। সালোকসংশ্লেষের মাধ্যমে নির্গত অক্সিজেন ফেরাস আয়রনের সংষ্পর্শে এলে বিক্রিয়া ঘটে ফেরিক আয়রন তৈরি হয়। ফেরিক আয়রন থেকে জংয়ের মতো কণা সাগর ও মহাসাগরের জেল মেশে। এর ফলে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে পরিবর্তন ঘটে।
7/10
কারণ ওই কণা নীল ও লাল আলো শোষণ করত, কিন্তু প্রতিফলন ঘটত সবুজ আলোর। ফলে সাগর ও মহাসাগরের জল সবুজ হয়ে ধরা দেয় চোখে।
8/10
সময়ের সঙ্গে সাগর ও মহাসাগরে নীল ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের আধিক্য ঘটে। তাদের ক্লোরোফিলের উপাদান আবার সালোকসংশ্লেষের জন্য় নীল আলো শোষণ করে। এর ফলে সাগর ও মহাসাগরের জল নীল হয়ে যায়।
9/10
কিন্তু আগামী দিনে সাগর ও মহাসাগরের জল Purple, অর্থাৎ গাঢ় বেগুনি রংয়েও ধরা দিতে পারে চোখে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, জলে সালফারের মাত্রা বৃদ্ধি পেলেই পাল্টে যেতে পারে সবকিছু।
10/10
ঘন ঘন অগ্ন্যুৎপাত এবং অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলেই বেগুনি রংয়ের সালফার ব্যাকটিরিয়ার আধিপত্য বাড়বে জলভাগে। সূর্যও তখন বার্ধক্যে পৌঁছবে, তার ঔজ্জ্বল্য আরও বাড়বে এবং অতিবেগুনি রশ্মি এসে পড়বে সরাসরি।
Published at : 29 Jun 2025 09:56 PM (IST)