Parents-Children Relationship: মা-বাবা সন্তানদের মধ্যে ভেদাভেদ করেন, সারাজীবন রয়ে যায় সেই দাগ, বলছে গবেষণা
Human Psychology: ছবি: ফ্রিপিক।
ছবি: ফ্রিপিক।
1/11
মা-বাবার কাছে সব সন্তানই সমান। কেউ প্রিয়, কেউ অপ্রিয় নেই বলেই শুনে আসছি আমরা। কিন্তু উল্টো কথা বলছে বিজ্ঞান। একাধিক সন্তান হলে, মা-বাবার মধ্যে কোনও সন্তান প্রিয়, কেউ অপ্রিয় হতে পারে বলে উঠে এল গবেষণায়।
2/11
একটি বা দু’টি নয়, ২০ হাজার মানুষকে নিয়ে চালানো ৩০টি গবেষণায় মোটামুটি ভাবে একই তথ্য উঠে এসেছে। কোন সন্তান প্রিয় হয়, কোন সন্তান ততটাও প্রিয় হয় না, তা বিশদে ব্যাখ্য়া করেছেন বিজ্ঞানীরা।
3/11
গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমান দিনে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের প্রতি বেশি নরম হন মা-বাবা। মেয়েদের দাবি-আবদার আজকাল মোটামুটি ভাবে মেনে নেওয়া হয়।
4/11
যে সন্তান মা-বাবার কথায় চলে, মা-বাবার সব কথাতেই তাদের সম্মতি থাকে, সেই সন্তান একটু বেশিই প্রিয় হয় মা-বাবার।
5/11
গবেষকদের মতে, এর অর্থ এক সন্তানকে মা-বাবা ভালবাসেন, অন্যকে ঘৃণা করেন, এমনটা নয়। বরং একজনের প্রতি একটু বেশি নরম হন, তাকে বেশি প্রাধান্য দেন।
6/11
যে সন্তানকে মা-বাবা বেশি প্রাধান্য দেন, তার মানসিক স্বাস্থ্যও তুলনামূলক ভাল হয়, শিক্ষাক্ষেত্রে, কর্মক্ষেত্রে সে সাফল্য অর্জন করে বলেও ধরা পড়েছে গবেষণায়। পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্কও ভাল থাকে। অন্য সন্তানদের বেলায় হেরফের ঘটে কিছুটা হলেও।
7/11
শৈশবেই যেহেতু চরিত্রগঠন হয়, তাই শৈশবকালে শিশুমনে কী চলে, মা-বাবার কোন আচরণে তারে মনে কী প্রভাব পড়ে, তাও পরখ করে দেখেন গবেষকরা।
8/11
পাশাপাশি, মা-বাবা কোন সন্তানের প্রতি কেমন আচরণ করছেন, কার উপর বেশি টাকা খরচ করছেন, কার সঙ্গে কোন সুরে কথা বলছেন, তাও খতিয়ে দেখা হয়।
9/11
গবেষকদের মতে, সন্তানদের অনেকে মা-বাবার কথাকেই বেদবাক্য় মেনে নেয়। মা-বাবার কথা মতোই চলে। ফলে তাদের সামলানো সহজ মনে হয় মা-বাবার। নিজের মনের মতো মনে হয় সেই সন্তানকে। ফলে বাধ্য সন্তানের প্রতি মনোভাব হয় নরম।
10/11
এ বছর ১৬ জানুয়ারি Psychological Bulletin জার্নালে নয়া গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। মূলত নর্থ আমেরিকা এবং ওয়েস্টার্ন ইউরোপের মানুষদের নিয়েই গবেষণাটি চালানো হয়। ফলে স্থান বিশেষে কিছু তারতম্য থাকতেই পারে।
11/11
তবে এর আগেও একটি সমীক্ষায় একই বিষয় উঠে আসে। সেবার গবেষকরা জানিয়েছিলেন, মা-বাবার আচরণ কেন তার প্রতি আলাদা, তা যদি কোনও সন্তান বুঝে যায়, সেক্ষেত্রে তার মনে ততটা দাগ কাটে না বিষয়টি। কিন্তু যুক্তিযুক্ত কারণ না খুঁজে পেলে, তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে।
Published at : 15 May 2025 08:28 PM (IST)