New Colour Olo: নতুন রং Olo আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা, এখনই দেখার সুযোগ নেই সাধারণ মানুষের

ছবি: ফ্রিপিক।
চোখের সামনেই বিরাজ করছিল। কিন্তু আমরাই বুঝতে পারিনি। এবার নতুন রং আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা।
ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার, বার্কলির বিজ্ঞানীরা নতুন রং Olo-র আবিষ্কার করেছেন। আর সেই নিয়ে শোরগোল এই মুহূর্তে।
আমাদের চোখের মণির পিছনে শঙ্কু আকৃতির কিছু কোষ থাকে, যার মাধ্যমে রংয়ের ফারাক বুঝতে পারি আমরা। লেজার টেকনোলজির সাহায্যে চোখে আলো ফেলে নতুন রংটি আবিষ্কার করা গিয়েছে।
১৮ এপ্রিল Science Advances জার্নালে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। নয়া আবিষ্কৃত রংটিকে Olo বলছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সাধারণত আলোর ছোট, মাঝারি এবং দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য়ের মাধ্য়মে রং দেখতে পাই আমরা। স্বাভাবিক আলো বা ডিজিটাল ডিসপ্লের দিকে যখন তাকাই, শঙ্কু আকৃতির এক ধরনের কোষই সক্রিয় থাকে। ফলে চোখে ধরা পড়া রংও হয় সীমিত।
নয়া রং Olo-কে এমনিতে দেখা সম্ভব নয়। কারণ এমন কোনও রংয়ের উদাহরণ আমাদের চারপাশে নেই, ডিজিটাল স্ক্রিনে চোখ রেখেও দেখা য়ায় না। বরং কৃত্রিম উপায়ে স্নায়বিক উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে হয়, যা গবেষণাগারেই সম্ভব একমাত্র। তাই সেখানেই ওই রং দেখা সম্ভব।
Olo রং কেমন, তা কী করে বুঝবেন সাধারণ মানুষ? নয়া রংটিকে ভাষায় ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, নীল ও সবুজের গাঢ় সম্পৃক্ত অবস্থার যে রূপ, তা-ই Olo.
এই আবিষ্কার বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ ভিস্যুয়াল ইনফরমেশন মস্তিষ্ক কী ভাবে গ্রহণ করে, তা যে নির্দিষ্ট সংজ্ঞার মধ্যে আটকে নেই, তা বোঝা গেল এই গবেষণা থেকে।
আপাতত গবেষণাগার ছাড়া Olo রংটিকে দেখার উপায় নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষ কি দেখতে পাবেন সেটিকে? বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আপাতত ফোনের স্ক্রিন বা টিভির স্ক্রিনে সেটিকে দেখার উপায় নেই। তবে আগামীতে আরও উন্নত প্রযুক্তি এলে সেটিকে হয়ত দেখা যাবে।
এখনও পর্যন্ত পাঁচজনই নয়া রংটিকে চাক্ষুষ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছেন বার্কলির গবেষক হানা ডয়েল, অস্টিন রুরডা, ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটনের দু’জন এবং এক অধ্যাপক।