Pancreatic Cancer Treatment: টিউমারই গায়েব, নতুন করে ফিরেও এল না…প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের গবেষণায় বড় সাফল্য পেলেন বিজ্ঞানীরা
Pancreatic Cancer Cure: প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার নিয়ে গবেষণায় বড় সাফল্য। ছবি: ফ্রিপিক।

ছবি: ফ্রিপিক।
1/12
ক্যান্সারের গবেষণায় বড় সাফল্য। অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখাল Spanish Cancer Research Centre. তাদের হাত ধরে প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের চিকিৎসায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে মনে করছেন সকলে।
2/12
প্রখ্যাত ক্যান্সার বায়োলজিস্ট মারিয়ানো বর্বাসিদের নেতৃত্বে প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের গবেষণায় বড় সাফল্য় মিলেছে। নতুন একটি ওষুধের কম্বিনেশন নিয়ে কাজ চলছিল, যার দ্বারা প্যাক্রিয়াটিক টিউমারকে পুরোপুরি নির্মূল করা গিয়েছে, একেবারে গায়েব হয়ে গিয়েছে টিউমার।
3/12
প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের সবচেয়ে প্রচলিত রূপ Pancreatic Ductal Adenocarcinoma. অন্যতম প্রাণঘাতী ক্যান্সার এটি। সাধারণত শেষ পর্যায়ে ধরা পড়ে, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় এবং প্রচলিত চিকিৎসায় সাড়া দেয় না শরীর।
4/12
এই ক্যান্সার শরীরে বাসা বাঁধলে, ১০ জন রোগীর মধ্যে বড় জোর এক জনেরও কম পরবর্তী পাঁচ বছর বাঁচেন। ফলে এই ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা অনভূত হচ্ছিল বেশ কিছু দিন ধরেই।
5/12
অধিকাংশ প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের জন্য দায়ী KRAS নামের একটি ত্রুটিপূর্ণ জিন। অ্যাক্সিলেটর প্যাডেলের মতো কাজ করে সেটি, যা ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজনকে নির্দেশিত করে।
6/12
KRAS থেকে প্রাপ্ত সিগনাল যাতে আটকানো যায়, গত কয়েক বছর ধরে সেই চেষ্টা চালাচ্ছিলেন বিজ্ঞানীরা। এমন নতুন ওষুধ তৈরির চেষ্টা চলছি, যার মধ্যে একটির নাম Daraxonrasib.
7/12
Daraxonrasib প্রয়োগে ইতিমধ্যেই ইতিবাচক ফল মিলেছে। রোগীদের বেশিদিন বাঁচতে সাহায্য় করে ওই ওষুধ। কিন্তু বিজ্ঞানীদের মতে, ক্যান্সার অত্যন্ত ধূর্ত। একটি রাস্তা বন্ধ হলে, বিকল্প উপায় বের করে নেয়। ফলে ‘KRAS ব্লকিং’ ওষুধে সাময়িক ঠেকানো গেলেও, রোগ ফিরে আসে।
8/12
সেই প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করার উপায় খুঁজছিলেন স্পেনের বিজ্ঞানীরা। তিন দিক থেকে ক্যান্সারের উপর আঘাত হানার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। এর জন্য Daraxonrasib দিয়ে যেমন KRAS থেকে প্রাপ্ত সিগনাল আটকানো হয়, তেমনই Afatinib দিয়ে EGFR এবং HER2 বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে ক্যান্সারের কোষগুলি চিকিৎসা থেকে পালিয়ে বাঁচে।
9/12
পাশাপাশি, SD36 নামের তৃতীয় একটি ওষুধ প্রয়োগ করা হয়, যা STAT3 নামের একটি ব্যাকআপ সিস্টেমকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ফলে ক্যান্সারের কোষ বেঁচে থাকতে পারে না।
10/12
একসঙ্গে ওই তিন ওষুধ প্রয়োগ করা হয় প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত ইঁদুরের শরীরে। আর তাতেই চমকপ্রদ ফল মেলে। ইঁদুরের শরীর থেকে ক্যান্সার শুধু গায়েবই হয়ে যায়নি, ২০০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর ফিরে আসেনি।
11/12
জিনের হেরফের ঘটিয়ে তৈরি ইঁদুরের মডেলের উপরও ওই তিনটি ওষুধ একসঙ্গে প্রয়োগ করা হয়। পাশাপাশি, মানুষের শরীর থেকে সংগৃহীত টিউমার, গবেষণাগারে তৈরি টিউমারের উপরও প্রয়োগ করা হয় ওই তিনটি ওষুধ। সর্বত্রই একই ফল পাওয়া গিয়েছে।
12/12
এমনকি গবেষণা চলাকালীন, শক্তিশালী ওষুধ প্রয়োগে ইঁদুরের শরীরেও তেমন কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চোখে পড়েনি। অর্থাৎ তিনটি ওষুধ একসঙ্গে প্রয়োগে কোনও বিপদের ইঙ্গিত মেলেনি এখনও পর্যন্ত। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মূল ইঞ্জিনটিকে বন্ধ করে দিয়ে, পালানোর রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে এবং ব্যাকআপ সিস্টেমকে নিষ্ক্রিয় করে দিয়ে প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারকে হারানো সম্ভব। এতে পাল্টা লড়াইয়ের শক্তি থাকে না ক্যান্সারের।
Published at : 29 Jan 2026 05:07 PM (IST)