Science News: লাল, নীল, সবুজ…হিরের এক এক রংয়ের নেপথ্যে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন কারণ

Colours of Diamonds: রং দিয়ে যায় চেনা। হিরের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। হিরের রং দেখে বোঝা যায় তার সৃষ্টির কাহিনি। ছবি: ফ্রিপিক।

ছবি: ফ্রিপিক।

1/10
কাচের মতো স্বচ্ছ, দ্যুতিতে ঝলসে যাচ্ছে চোখ। হিরে বলতে,কাচের মতো স্বচ্ছ হিরেই বুঝি আমরা। কিন্তু হিরে নীল, হলুদ, সবুজ এমনকি গোলাপিও হতে পারে। এমনকি রংয়ের নিরিখেই হিরে হয়ে ওঠে মহার্ঘ।
2/10
কিন্তু শুধু রংহীন, স্বচ্ছ না হয়ে, হিরে হরেক রকমের হয় কেন? হিরের এই ভিন্ন ভিন্ন রং আসে কোত্থেকে? উত্তর রয়েছে বিজ্ঞানের কাছে।
3/10
হিরে একটি মাত্র উপাদান দিয়েই তৈরি, কার্বন। একেবারে বিশুদ্ধ কার্বন। উচ্চচাপে সেটি হিরেতে পরিণত হয়। ভূগর্ভের গভীরে সৃষ্টি হিরের। উচ্চচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রায় কার্বনের পরমাণুগুলি পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে হিরে তৈরি করে।
4/10
ভূগর্ভে সৃষ্টি হলেও, যত শীঘ্র সম্ভব উপরের দিকে আসা প্রয়োজন। নইলে হিরের আকার নষ্ট হয়ে যায়। লাভার সঙ্গে মূলত ভূগর্ভের গভীর থেকে উপরে উঠে আসে হিরে। বেশি দিন মাটির গভীরে থাকলে হিরে গলে যেতে পারে, অথবা গ্রাফাইটে পরিণত হতে পারে।
5/10
সাধারণত হিরে কাচের মতো স্বচ্ছই হয়। কিন্তু কার্বনের সঙ্গে নাইট্রোজেন, সালফার বোরোনের মতো কিছু রাসায়নিক মিশে গেলে, তা থেকে রঙিন হিরের সৃষ্টি হয়।
6/10
হিরের স্ফটিকে কোনও ভাবে নাইট্রোজেন প্রবেশ করলে, তা থেকে হলুদ বা কমলা হিরে রং ফুটে ওঠে। একই ভাবে বোরোন মিশলে হিরের রং হয় নীল।
7/10
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে হিরে সবুজ রং ধারণ করে। পাশে পড়ে থাকা কোনও পাথর যদি ইউরেনিয়াম বা থোরিয়ামে সমৃদ্ধ হয়, দুইয়ের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটে হিরে সবুজ রং ধারণ করে।
8/10
হিরের রং যদি লাল বা গোলাপি হয়, বুঝতে হবে হিরের গঠনে ত্রুটি রয়ে গিয়েছে। ভূগর্ভে উচ্চ তাপমাত্রা এবং উচ্চ চাপে হিরের কার্বনের জালিকা যখন বেঁকে যায় বা পাকিয়ে যায়, তা থেকে লাল বা গোলাপি হিরে তৈরি হয়।
9/10
অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন ইউনিভার্সিটির গবেষক লিউক ডসেট জানিয়েছেন, সাধারণত ভূগর্ভের ১৬১ কিলোমিটার গর্ভে হিরে সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত চাপ পড়লে হিরের রং বাদামিও হতে পারে। চাপ অতিরিক্ত না হলে স্বচ্ছ, রংহীন হিরে সৃষ্টি হয়।
10/10
বাজারে স্বচ্ছ হিরের তুলনায় নীল এবং গোলাপি হিরের দামই বেশি। তবে সবচেয়ে মহার্ঘ লাল হিরে। লাল হিরে সবচেয়ে বিরলও।
Sponsored Links by Taboola