Pokémon Go: কয়েকশো প্রাণহানি, ৬২০০০ কোটির ক্ষয়ক্ষতি, পোকেমন ধরতে দৌড়ঝাঁপ মানুষের,বিপুল ঐশ্বর্যের মালিক হয়েছে সংস্থা…
Artifical Intelligence: পোকেমন ধরতে গিয়ে কী না করেছেন মানুষ। কিন্তু আসলে লাভবান হল কারা? ছবি: ফ্রিপিক, ফাইল চিত্র।
Continues below advertisement
পোকেমন ধরতে গিয়ে কী না করেছেন মানুষ। কিন্তু আসলে লাভবান হল কারা? ছবি: ফ্রিপিক, ফাইল চিত্র।
Continues below advertisement
1/10
গাড়ি-ঘোড়ার তোয়াক্কা না করে ঝাঁপিয়ে পড়তেন লোকজন। পোকেমন ধরার নেশা এতটাই গ্রাস করেছিল সকলকে। কিন্তু পোকেমন কি শুধুমাত্র কোনও গেম ছিল? মানুষজনকে দৌড়ঝাঁপ করানোর পিছনে কি অন্য উদ্দেশ্য় ছিল? এতদিন পর মিলল প্রশ্নের উত্তর।
2/10
কোটি কোটি কোটি মানুষ পোকেমন ধরার খেলায় মেতে উঠেছিলেন কয়েক বছর আগে। ভার্চুয়াল দুনিয়ার সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল বাস্তব। ২০১৬ সালে Pokémon Go গেমটির যাত্রা শুরু। প্রথম দু’মাসেই প্রায় ৫০ কোটি মানুষ ফোনে সেটি ইনস্টল করে নেন।
3/10
কিন্তু যে খেলার নেশায় মেতেছিলেন বিপুল সংখ্যক মানুষ, সেটিকে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৩২ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। বেগার খেটে সাধারণ মানুষই ওই সাম্রাজ্য গড়ে তুলতে সাহায্য় করেছেন বলে জানা গেল এবার।
4/10
আমেরিকার সফটওয়্যার সংস্থা Niantic Pokémon Go মোবাইল গেমটির স্রষ্টা। ওই গেম খেলেছিলেন যে কোটি কোটি মানুষ, তাঁদের তথ্য ব্যবহার করে নিখুঁত AI নেভিগেশন সিস্টেম গড়ে তুলেছে তারা, যা নির্দিষ্ট ঠিকানায় পণ্য সরবরাহ থেকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
5/10
Niantic-এর AI সংস্থা Niantic Spatial রোবোটিকস সংস্থা Coco-র সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। MIT-এর রিপোর্ট বলছে, ভিজ্যুয়াল পজিশনিং সিস্টেম গড়ে তুলেছে Niantic. ৩০০০ কোটি ছবি ব্যবহার করে গোটা নেভিগেশন সিস্টেম গড়ে তোলা হয়েছে।
Continues below advertisement
6/10
কিন্তু ওই বিপুল সংখ্যক ছবি পেল কোথা থেকে Niantic? জানা গিয়েছে, Pokémon Go খেলার সময় পোকেমন ধরতে গিয়ে মোবাইল ফোনের ক্য়ামেরা ব্যবহার করতে হতো সকলকে। তাঁদের গতিবিধি এবং লোকেশনের রেকর্ডও থেকে যেত। সেই সব তথ্য় মিলিয়েই আস্ত নেভিগেশন সিস্টেম গড়ে তোলা হয়েছে। প্রত্যেক খেলোয়াড় যখনই পোকেমন ধরতে গিয়েছেন, ডেটা সরবরাহ করেছেন Niantic-কে। রিওয়ার্ডস পেতে যেভাবে বাস্তব দুনিয়ার ল্যান্ডমার্ক, লোকেশন জোগানো হয়, সেই সব কিছুই সম্পদ হয়ে উঠেছে ওই সংস্থার।
7/10
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুই লোকেশন, ছবি জোগাননি Pokémon Go খেলোয়াড়রা। একই জায়গায় যখন অনেকের পদার্পণ ঘটেছে, সেখানকার আবহাওয়া, বিভিন্ন অ্যাঙ্গল থেকে তোলা ছবি, উচ্চতা, সবই নথিবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। এর ফলে একেবারে নিখুঁত নেভিগেশন সিস্টেম গড়ে তোলা সহজ হয়েছে ওই সংস্থার পক্ষে। আলাদা করে লোক দিয়ে ওই ডেটা জোগাড় করতে হলে বিপুল টাকা ব্যয় করতে হতো।
8/10
যে নেভিগেশন সিস্টেম গড়ে তুলেছে Niantic, এই মুহূর্তে তার বাজারমূল্য ৩২ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। দিক নির্দেশের জন্য সাধারণত GPS-এর উপর নির্ভর করা বলেও, তাদের তৈরি সিস্টেম অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য। ছবি থাকায় বিল্ডিং থেকে গাছ-গাছালি, গোটা এলাকা ছবির মতো বন্দি হয়ে গিয়েছে সিস্টেমে।
9/10
বরাবরই ‘Living Map’ বা জীবন্ত মানচিত্র গড়ে তোলা লক্ষ্য় ছিল Niantic-এর, যাতে গোটা পৃথিবীর ডিজিটাল প্রতিচ্ছবি হাতের নাগালে পাওয়া যায়। মানুষ, রোবট সকলেই ব্যবহার করতে পারে সেই মানচিত্র। Pokémon Go-র দৌলতে সেই কাজ সহজ হয়ে গিয়েছে।
10/10
তবে Niantic হাজার হাজার কোটির সাম্রাজ্য গড়ে তুললেও, পোকেমন ধরতে যাঁরা দৌড়ঝাঁপ করলেন, দিনের শেষে তাঁদের হাত খালিই রয়ে গেল। ২০১৭ সালে যে পরিসংখ্যান পেশ করে Purdue University-র Krannert School of Management, তাতে দেখা যায়, Pokémon Go খেলতে গিয়ে ১৫৬ দিনের মধ্যে ২৫৬ জন মারা যান। প্রচুর দুর্ঘটনা ঘটে, যাতে ৫ বিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষয়ক্ষতি হয়, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকা। গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৩২টি।
Published at : 31 Mar 2026 05:59 PM (IST)
= 10">