সামি-হাসিনের দাম্পত্য কলহের অন্যতম কারণ আমরোহায় কেনা জমি?
হাসিনের দাবি, মোবাইল ফোন তাঁর হাতে এসে যাওয়ার সামি আচরণ বদলে ভালো সাজার চেষ্টা করেছেন। হাসিন বলেছেন, তাঁর হাতে সামির ফোন চলে আসে। এ কথা জানার পরই সামির আচরণ বদলে যায়। যদি ফোনটি তাঁর হাতে না আসত তাহলে হয়ত সামি উত্তরপ্রদেশে গিয়ে তাঁকে বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশ পাঠিয়ে দিতেন।
হাসিন দাবি করেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তিনি সব ধরনের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সামি নিজের ভুল স্বীকার করতে রাজি হয়নি।এই কারণেই সামির কার্যকলাপ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছেন।
এরইমধ্যে গতকাল হাসিন সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন, সামি তথ্য বিকৃতি করছেন এবং যে সব অভিযোগ তিনি করেছেন সেগুলি সম্পর্কে ঠিকঠাক জবাব দিচ্ছেন না।
তাঁর বিরুদ্ধে হাসিনের দায়ের করা সমস্ত অভিযোগের বিস্তারিত তদন্তও দাবি করেছেন সামি।
সামি হাসিনের আনা অভিযোগগুলি খারিজ করে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, এই সব অভিযোগের পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। সামি আরও বলেন, পরিবার বাঁচাতে তিনি সবকিছু করতে রাজি।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই হাসিন সামির বিরুদ্ধে একাধিক মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, সামি ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালিয়েছে। তিনি লালবাজারে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেন।
পরিবার সূত্রের দাবি, আমরোহায় সম্পতি কেনা নিয়েই স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলার সূত্রপাত।
উল্লেখ্য, সামি উত্তরপ্রদেশের আমরোহার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কলকাতায় থাকেন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে বাংলার হয়ে খেলেন।
সূত্রের দাবি. হাসিন চেয়েছিলেন, সামি জমি ও সম্পত্তি পশ্চিমবঙ্গেই কিনুন।
সামি ও হাসিনের মধ্যে বিবাদ ক্রমশ কদর্য চেহারা নিয়েছে। ওই সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সামি তাঁর নিজের শহর উত্তরপ্রদেশের আমরোহাতে একটি স্পোর্টস অ্যাকাডেমি গড়তে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি ৫০ একর (১৫০ বিঘা) জমি কেনেন। সামি এই ফার্ম হাউসের জন্য ১০ কোটি টাকা লগ্নি করেন। কিন্তু এই লগ্নি ক্ষুব্ধ করে হাসিনকে।
ভারতীয় দলের ফাস্ট বোলার মহম্মদ সামি ও তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহানের দাম্পত্য কলহে নয়া মোড়। সামির পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে দাবি, স্বামী-স্ত্রীর বিবাদের অন্যতম একটি কারণ হল হাসিন ফার্ম হাউস।