ব্র্যাঞ্জেলিনার বিচ্ছেদ: নজরে অ্যাঞ্জেলিনার জীবন, ব্র্যাডের সন্তানদের ওপর যৌন নির্যাতন চালানোর ঘটনা
অ্যাঞ্জেলিনার বিতর্কিত জীবনও রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে। হলিউড তারকাও কিন্ডারগার্টেনে পড়ার সময় থেকেই সেক্স লাইফ শুরু করেছেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে মায়ের পূর্ণ সমর্থনে বাড়িতেই বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে লিভ ইন করতে শুরু করেছিলেন।
শোনা যায় ব্র্যাঞ্জেলিনার ছ সন্তানকে দেখাশোনার জন্যে আছে ছ জন পরিচারিকা, এক রাঁধুনি ও এক গৃহশিক্ষক। বেশিরভাগ পরিচারিকারাই কাজ ছেড়ে পালিয়েছে, বাচ্চাগুলোর অত্যাচারে।
২০০৫ সালে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তখনই ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’-এর দৌলতে কাছাকাছি আসতে শুরু করেন রূপকথার এই জুটি। এখন সেই জুটিও ভাঙনের মুখে
সকলকে চমকে দিয়ে ভেঙে গেল অ্যাঞ্জেলিনা জোলি-ব্র্যাড পিটের সম্পর্ক। কিন্তু একযুগের এই সম্পর্কে ছেদের কারণ হিসেবে উঠে আসছে নানা তথ্য
নিজের ভাইয়ের সঙ্গেও অবৈধ সম্পর্ক ছিল জোলির। দুজনকে লিপ-লক অবস্থায় ক্যামেরাবন্দী করা হয়
২০ বছর বয়সে সমকামী সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন জোলি। অভিনেত্রী-মডেল জেনি শিমিজুর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল জোলির।
নিজের ভাইয়ের সঙ্গেও অবৈধ সম্পর্ক ছিল জোলির। দুজনকে লিপ-লক অবস্থায় ক্যামেরাবন্দী করা হয়
প্রসঙ্গত, জীবনে কখনওই এক পুরুষ মানুষের সঙ্গে বেশিদিন থাকতে পারেননি অ্যাঞ্জেলিনা। একাধিক সম্পর্কে ঢুকেছে এবং বেরিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জীবনে কখনওই এক পুরুষ মানুষের সঙ্গে বেশিদিন থাকতে পারেননি অ্যাঞ্জেলিনা। একাধিক সম্পর্কে ঢুকেছে এবং বেরিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জীবনে কখনওই এক পুরুষ মানুষের সঙ্গে বেশিদিন থাকতে পারেননি অ্যাঞ্জেলিনা। একাধিক সম্পর্কে ঢুকেছে এবং বেরিয়েছেন।
শোনা যাচ্ছে ব্র্যাড-অ্যাঞ্জেলিনার সন্তানরাও লাগাম ছাড়া জীবনযাপন করে। ১৫-র ম্যাডাক্স এখনই ওয়াইন খেতে অভ্যস্থ। ছুরির নেশাও আছে তাঁর।
কখনও আলোচনার কেন্দ্রে আসছে অ্যাঞ্জেলিনার উচ্ছৃঙ্খল জীবন। কখনও আবার ব্র্যাডের নিজের সন্তানের ওপর যৌন নির্যাতন চালানোর ঘটনাকেও দায়ি করা হচ্ছে এই বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে